প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাসপাতালের বিরোধিতা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি চট্টগ্রামের মানুষের স্বার্থে খতিয়ে দেখা হবে: রেলমন্ত্রী

এম আর আমিন: [২] চট্টগ্রামের সিআরবিতে হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

[৩] আজ শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন এ কথা বলেন।

[৪] রেলমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে আসছেন। পত্র-পত্রিকায়, টেলিভিশন আমরা সেখানে দেখতেছি। কিন্তু কি নিয়ে আন্দোলন তা আনুষ্ঠানিকভাবে এটা নিয়ে রেলের কাছে কোন দরখাস্ত করেনি। মন্ত্রী বরবারও কোন দরখাস্ত করা হয়নি। আমাদের জিএম সাহেব আছে তার কাছেও কোন দরখাস্ত করা হয়নি। সচিব আছেন সেখানেও করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোন দরখাস্ত করা হয়নি। তাহলে এটা তো কি কারণে বা কেনো এই আন্দোলন সেটা তো তারা আগে কোন দরখাস্ত বা অভিযোগ দেওয়ার পর যদি জোড় করে কিছু হয় তখন না আন্দোলনের প্রশ্ন আসে।

[৫] আন্দোলনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন,এখানে তথ্যগত কোন ভুল হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখার দরকার আছে। যে কথাগুলো বলেই অভিযোগ দিয়ে আন্দোলনের কথা বলা হচ্ছে। সেটার ভিত্তি কতটুকু, সেটুকু আমাদের যাচাই বাছাই করার জন্য আমাদের সময় দিতে হবে।

[৬] রেলমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত হলো সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) উৎসাহিত করা। সরকারের যত প্রকল্প আছে নীতিগতভাবে এর ৩০ শতাংশ যাতে পিপিপি’র অধীনে বাস্তবায়ন করা যায়। স্থানীয় এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য সরকার সেই প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তারই আওতায় রেলওয়ের এ প্রকল্পটি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পের চুক্তি এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনেক আগ থেকে শুরু হয়েছিল। কিন্তু তখন কেউ এ নিয়ে আপত্তি তোলেনি। যখনই বাস্তবায়নের সময় আসল, তখনই আপত্তি শুরু হয়েছে। সিআরবিতে অন্যকিছু হচ্ছে না, এখানে হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ আছে, যাদের কাছে কোনো কিছুই ভালো লাগে না। এ আন্দোলন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি চট্টগ্রামের মানুষের স্বার্থে করা হচ্ছে। সেটা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত