প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যশোর সরকারি মুরগি খামারের উৎপাদন সক্ষমতার ৯৫ শতাংশই থাকছে অব্যবহৃত

খালিদ আহমেদ : [২] দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সালে শহরের শংকরপুর এলাকায় ২৭ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা হয় যশোর সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার। প্রয়োজনীয়সংখ্যক লোকবলের অভাব আর নানামুখী সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

[৩] প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ৪০ লাখেরও বেশি। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র দুই লাখ বাচ্চা।

[৪] তবে খামারটির কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারের কাছে ২৭ কোটি টাকার চাহিদা চাওয়া হয়েছে। এ টাকা বরাদ্দ পেলে বদলে যাবে খামারের চিত্র।

[৫] গরমসহিষ্ণু ফাউমি জাতের মুরগির বাচ্চার চাহিদা এ অঞ্চলে বেশি। আর এ জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন হয় এ খামারে।

[৬] যশোর অঞ্চলে এ মুরগির বাচ্চা পালনের চাহিদা রয়েছে বছরে ৩৬ লাখের বেশি।

[৭] খামারটিতে মুরগির বাচ্চা ফোটানোর আধুনিক যন্ত্র (ইনকিউবেটর) রয়েছে ছয়টি। এর মধ্যে একটি যন্ত্র অকেজো। প্রয়োজনীয় ডিমের জোগান না থাকায় বন্ধ রয়েছে এটি। ডিম পাড়া মুরগি ও মোরগ পালনের জন্য ২২টি শেড (ঘর) রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টিই ব্যবহারের অনুপযোগী।

[৮] এ ব্যাপারে খামারের উপপরিচালক কৃষিবিদ সফিকুর রহমান বলেন, বছরে মাত্র দুই লাখ বাচ্চা উৎপাদনের অনুমোদন রয়েছে তাদের। এর মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার বাচ্চা আবার সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের নিজস্ব খামারে পালনের জন্য রাখতে হয়। অবশিষ্ট ৭৫ হাজার বাচ্চা বিক্রির সুযোগ রয়েছে।