প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইভ্যালির ব্যবসায় কিছুটা ভুল ছিল তবে মুক্তি পেলে দেনা পরিশোধ করতে পারবো: রাসেল

নিউজ ডেস্ক: ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল পুলিশকে বলেছেন, দ্রুত ব্র্যান্ড তৈরি করতে গিয়ে ইভ্যালি ব্যবসায় কিছুটা ভুল পদ্ধতি নিয়েছিল। তবে তাড়াতাড়ি মুক্তি পেলে দেনা পরিশোধ করতে পারবেন। রাজধানীর ধানমন্ডি থানা-পুলিশের হেফাজতে এক দিনের রিমান্ডে গতকাল বুধবার রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আজকের পত্রিকা

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, কাউকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

এদিকে, ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ই-কমার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বেকওয়া)।

ধানমন্ডি থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পণ্য নিয়ে টাকা না দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকির ব্যাপারেও তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়। এসব ব্যাপারে তাঁর কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। এখন যাচাই-বাছাই চলছে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।

ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম চকদার মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমাসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ২০ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা: ইভ্যালির সম্পদ বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। ইভ্যালির এক গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আবেদনকারীর আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন বলেন, ইভ্যালি অনলাইন শপিংমলে গত মে মাসে একটি ইলেকট্রনিক পণ্যের অর্ডার করা হয়। অর্ডারের সময় তিনি মোবাইল ফোনভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিক সেবার মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করেছেন। ইভ্যালি থেকে অনলাইনে তাঁকে পণ্য কেনার রসিদও দেওয়া হয়। কিন্তু এত দিনেও পণ্যটি বুঝিয়ে দেয়নি এবং টাকাও ফেরত দেয়নি। যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি আবেদনকারী। তাই তিনি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন।

মানববন্ধন: রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমার মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ই-কমার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বেকওয়া)। গতকাল রাজধানীর পল্টনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন শুরু হয়। মানববন্ধনে বলা হয়, রাসেলকে নজরদারিতে রেখে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন ই-কমার্স বিদেশি বিনিয়োগ পেতে শুরু করেছে, সেখানে ই-কমার্স খাতকে সুরক্ষা না দিতে পারলে, ভবিষ্যতে বিশ্বের ২৫ অর্থনীতির দেশ হওয়া কঠিন হবে।