প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শিক্ষার নতুন কারিকুলামে এসএসসি পাশেই মিলবে কর্মদক্ষতা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও মান নিয়ন্ত্রণ করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ

শরীফ শাওন: [২] বৈশ্বিক পরিস্থিতি টেকনিক্যাল টেকনোলজির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও দেশের জনসংখ্যার বিচারে চাকরি নির্ভরতা কমাতে দক্ষতামূলক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরই ধারাবাহিকতায় পরিমার্জিত কারিকুলামে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে প্রতিটি শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক একটি করে কারিগরিমূলক পাঠ্য থাকবে।

[৩] জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র শাহা জানান, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে হয়তো হালকা ধারণামূলক পাঠ্য থাকবে, কাগজে কলমে শিক্ষা থাকবে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে। প্রাথমিক ভাবে ফ্রেমওয়ার্ক হয়েছে, বিস্তারিত কারিকূলামের পর পাঠ্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে। দশম শ্রেণি শেষ হলে আমরা নিশ্চিত হতে পারবো যে একজন শিক্ষার্থী কিছু ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করেছে এবং কর্মক্ষেত্রে তা কাজে লাগাতে পারবে।

[৪] তবে তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন প্রিয় বলেন, কারিকুলামটি বাস্তবায়ন কঠিন হবে এবং ২-১ বছরে এর সুফল পাওয়া যাবে না। পর্যপ্ত বাজেট এবং শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘ সময়ের পরিকল্পনা করতে হবে। স্কুলে যে পরিবেশ, বিনিয়োগ এবং শিক্ষক থাকে, কারিগরিতে সেসকল সুযোগ সীমিত থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো ধুকে ধুকে চলছে।

[৫] স্বপন প্রিয়’র মতে, যখন প্রধান সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসকল পাঠদান করানো হবে তখন এর মান অনেক ভালো হবে এবং সবাই বিষটি গুরুত্বের সঙ্গে নিবেন। তখন এর সফলতার সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়বে।

[৬] বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০২০ সাল পর্যন্ত ৭২৫৯টি। ২০০১ সালে এই সংখ্যা ছিলো ১৪১৬টি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত