প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিরাজুল ইসলাম: ফ্রান্সে মেসির মানিয়ে নিতে না পারার অর্থ সে ফুরিয়ে গেছে ভাবনাটা ভীষণ ‘নবীশ’

মিরাজুল ইসলাম: মোটা ব্রাশে ‘ইমপেস্টো’ স্টাইলে ছবি আঁকলেই ভ্যান গগ হওয়া যায় না। তেমনি গত এক মাসে ফ্রান্সে মেসির মানিয়ে নিতে না পারার অর্থ সে ফুরিয়ে গেছে ভাবনাটা ভীষণ ‘নবীশ’। অনেকটা আসল এবং নকল ভ্যান গগের পার্থক্য ধরতে না পারার মতো। গত ম্যাচে মেসির এই মুখের ভাব দেখে মনে পড়লো ১৯০১ সাল থেকে ১৯০৪ সাল অব্দি প্যারিসে পাবলো পিকাসো অত্যন্ত বিষাদময় সময় কাটিয়েছিলেন। ওই সময়ে আঁকা ছবিগুলোকে ‘ব্লু পিরিয়ডের ছবি’ নামে ডাকা হয়। তখন কেউ কিনতে চাইতো না প্রায় এক রঙা নীলাভ ও সবুজ রঙা ধাঁচের কাজগুলো। পিকাসো তখন সম্ভবত মেসির মতোই বিরক্ত ছিলেন। এখন সেগুলো অমূল্য। আপাত নিষ্প্রভ মনে হলেও শেষ ম্যাচে লিঁও’র বিপক্ষে মেসি বেশ কয়েকবার ফ্রি-ড্রিবলিং করলো এবং ফ্রি-কিকে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলো। তাই কোচ যখন তাকে বদলি হিসেবে নামালো তখন অবাক হয়েছিলো পচেত্তিনোর সিদ্ধান্তে। এই অভিব্যক্তি তাই স্বাভাবিক।

শেষ মুহূতে ইকার্দির গোলটা না হলে মেসিকে হয়তো আরও বেশি সমালোচনায় পুড়তে হতো। অনেকে ভাবতে পারেন অন্যকিছু, কিন্তু আমার চোখে মেসির প্যারিস ক্লাবে ‘নীল পর্ব’ চলছে এখন। কেবল মাত্র লাতিন ফুটবলার নেইমার এবং ডি মারিয়া ছাড়া বাকিরা মেসির সঙ্গে এখনো মানিয়ে নিতে পারেনি। মেসি যদিও তাদের সঙ্গে পাস লেনদেন করতে দ্বিধা করেনি। কিন্তু বাকিদের অবস্থা ছিলো আপাতত এরকম, মেসি যদি ডানে যায় তারা যায় বামে। মাঝ মাঠে জট পাকিয়ে ঘুরে ঘুরে মরে। আর মাত্র কয়েকটা ম্যাচ। এরপর মেসি-হেটাররা কান্নাকাটি শুরু করে দেবে। মেসির ইতিহাস তাই বলে। লেখক ও চিকিৎসক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত