প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রোপা-আমন মওসুমের আগাম চারা বিক্রির হাট

তৌহিদুর রহমান : [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে ইতিমধ্যে রোপা-আমন মওসুমকে সামনে রেখে আগাম
ধানের চারার বিক্রির হাট বসতে শুরু করেছে। শুকনো বীজতলায় উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের ধানের চারা নিয়ে প্রতিনিয়তই কৃষক ও ব্যাপারীরা হাটে আসছেন। মাঠ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এখান থেকে তাদের কাঙ্খিত চারা সংগ্রহ করছেন।

[৩] জেলায় ছোট বড় মিলে ১৮ টি চারার হাট রয়েছে । জেলার চাহিদা মিটিয়েও বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে এসব চারা।

[৪] কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি মওসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মওসুমে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশী জমিতে বীজতলা তৈরী হওয়ায় চারা নিয়ে হাহাকার নেই ।

[৫] সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে জেলার নন্দনপুরে বসেছে ধানের চারার সর্ব বৃহৎ হাট। এখানে বীজতলা থেকে উৎপাদিত চারা হাটে নিয়ে আসছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন স্হান থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা খাসা, নাজিরশাইল, বীনা-৭, বীনা-২২ ও গাইন্ধার চারা সংগ্রহ করছে। প্রতি আটি ধানের চারা পর্যায়ক্রমে জাত ভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কুট্টাপাড়া ,আড়াইসিধা ,লালপুর ও চাঁনপুর সহ বিভিন্ন
স্থানে ছোট বড় অনেক হাট বসেছে ।

[৬] চারা বিক্রেতা মিলন মিয়া বলেন, নন্দনপুরের এ হাটে আশ পাশের জেলা থেকে খুচরা ও পাইকারী ক্রেতারা আসছেন
চারা নিতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার চারা বিক্রি হয় এ হাটে। তবে ঐতিহ্যবাহী এই হাটের জন্য স্থায়ী কোন জায়গা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

[৭] মাধবুপুর থেকে আসা ক্রেতা তুহিন মন্ডল বলেন, আমরা প্রতিবছর জমিতে লাগানোর জন্য রোপা-আমনের চারা এ হাট থেকে সংগ্রহ করে থাকি। এখানকার চারার মান অনেক ভাল। জমিতে লাগানোর পর ফসলের উৎপাদন ভাল হয় এ হাটের চারায়।

[৮] ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার বলেন , বন্যাত্তোর চারার সংকট মোকাবেলায় পুর্ব প্রস্তুতি হিসাবে নাভিজাত বীজতলা তৈরী করার প্রস্তুতি আগেই নেওয়া হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক চাষীদের মান সম্পন্ন চারা উৎপাদনে সহযোগীতা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত