প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রিয় মানুষটি চলে যাওয়া, এটা আমার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: গাজী আশরাফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : [২] বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জালাল আহমেদ চৌধুরী শেষবার এলেন নিথর দেহে। অথচ এই সবুজ গালিচায় তার কতো স্মৃতি। শুধু কি তার, তার সঙ্গে খেলা, তার অধীনে খেলা এবং তার সঙ্গে সাংবাদিকতা কথা মানষগুলোর শতশত স্মৃতি জড়িয়েছে আছে এই বঙ্গবন্ধুতেই।

[৩] জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু জালাল আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে খেলেছেন ধানমন্ডি ক্লাবে, ১৯৭৬-৭৭ সালে। সেই সময়ে জালাল আহমেদ একই সঙ্গে খেলোয়াড় ও দলটির কোচ ছিলেন।

[৪] ৭৮ সালে ধানমন্ডিতে নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেন জালাল চৌধুরী। ওই বছর ধানমন্ডির হয়ে ওয়ারির বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন লিপু। গ্যালারি থেকে সেই সেঞ্চুরি দেখে লিপুর জন্য একটি খামে শুভেচ্ছা বার্তা ও একশ টাকা রেখে মাঠ ছাড়েন জালাল চৌধুরী। সেই স্মৃতি আজও ভোলেননি লিপু।

[৫] শ্রদ্ধেয় কোচের প্রয়াণ দিনে সেই স্মৃতি সবার সাথে শেয়ার করলেন লিপু, আমি সেঞ্চুরি করে ফিরে দেখি আমার জন্য একটি খাম রাখা। খামের ভেতরে আমার শুভেচ্ছা বার্তা ও একশ টাকা রাখা। আমার সেঞ্চুরির উপহার ছিল সেটি। আজীবন মনে রাখার মতো স্মৃতি ছিল সেটি।

[৬] জালাল চৌধুরী সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিপু আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন, তিনি অত্যন্ত মেধাবি কোচ ছিলেন, প্রচুর পড়াশোনা করতেন, ক্রিকেটের পাশাপাশি তার লেখনী আপনারা দেখেছেন যে তিনি কতটা ভালো লিখতেন। সব কিছুতেই তিনি যা করতেন সেটা অত্যন্ত ভালোভাবে করতেন এবং সুচারু ভাবে শেষ করতেন। ক্রিকেটারদের দারুণ ভাবে ভালোবাসতেন। ওনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা এমন ছিল যে তিনি যদি বলতেন এই মৌসুমে এই দলে খেলতে হবে তো কোন ক্রিকেটার জিজ্ঞাস করতো না যে কত টাকা পাব, ব্যাপারটা এমন ছিল যে জালাল ভাই বলেছেন তার মানে এখানেই খেলতে হবে।

[৭] ঢাকার অসহনীয় জ্যামে আটকা পড়ে শান্তিনগর থেকে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হেঁটে আসেন লিপু। শেষবার প্রিয় মানুষটিকে একনজর দেখে বললেন,‘এটা আমার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

সর্বাধিক পঠিত