প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঝিলমিল বসবাসের উপযোগী হবে আগামী বছর, শিঘ্রই শুরু হবে ১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরির কাজ

সুজিৎ নন্দী: [২] কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় আবাসিক ভবন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় অর্ধ শতাধিক বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ৮টি আবাসিক বাড়ির কাজ শেষ হয়েছে। পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এর পাশেই গড়ে উঠেছে ৪টি বাড়ি।

[৩] ইতোমধ্যে ‘ঝিলমিল রেসিডেন্সিয়াল পার্ক’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৪ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে মালয়েশিয়ার ‘বিএনজি গ্লোবাল হোল্ডিংস অ্যান্ড কনসোর্টিয়াম’।

[৪] প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০১৭ সালের নভেম্বরে বিএনজির সঙ্গে চুক্তি করেছিল রাজউক। ২০২৩ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মালয়েশিয়ার কোম্পানি চুক্তির পরে কিছু কাজ করেছে। করোনার কারণে কোম্পানির সকল কর্মকর্তা নিজ দেশে চলে যায়।

[৫] এ ব্যাপারে রাজউকের চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী বলেন, ঝিলমিলের পুরো কাজই দ্রুতগতিতে চলছে। ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। তবে প্রাথমিক সকল কাজই এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। প্লট যা বরাদ্দ হয়েছে তার প্লান আমরা দ্রুত দিয়ে দিচ্ছি। রাজউকে এখন আর হয়রানীর সুযোগ নেই।

[৬] জানা যায়, ৩৮১ একর জায়গার ওপরে এই প্রকল্পে ১ হাজার ৮৮৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। অন্যদিকে ১৬০ একর জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণ হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ৮৫টি ভবন নির্মাণ করবে বিএনজি। ভবনগুলোর মধ্যে ৬০টি হবে ২০ তলা (সেমি বেসমেন্টসহ) ও ২৫টি হবে ২৫ তলার (বেসমেন্টসহ)। মোট তিনটি শ্রেণিতে ফ্ল্যাট হবে ১৩ হাজার ৭২০টি। ‘এ’ শ্রেণির ১ হাজার ৫৫০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট হবে ৯ হাজার ১২০টি, ‘বি’ শ্রেণির ১ হাজার ৭৫০ বর্গফুটের হবে ২ হাজার ৫৭৬টি এবং ‘সি’ শ্রেণির ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট হবে ২ হাজার ২৪টি।

[৭] প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৯৭৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। পুরো টাকা বিনিয়োগ করবে বিএনজি। এরপর ছয় কিস্তিতে বিনিয়োগের টাকা পরিশোধ করবে রাজউক।

[৮] চুক্তি অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হওয়ার দুই বছর পর (তৃতীয় বর্ষে) বিএনজিকে ৪শ’ কোটি টাকা দেবে রাজউক। এরপর চতুর্থ বর্ষে আরও ৪শ’ কোটি টাকা এবং পঞ্চম থেকে অষ্টম বছর পর্যন্ত (প্রতিবছর একটি করে) আরও চার কিস্তিতে ২ হাজার ২৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করবে।

[৯] জানা যায়, প্রকল্প এলাকার মোট জমির ৩২ শতাংশে থাকবে ভবন, বাকি ৬৮ শতাংশ উন্মুক্ত থাকবে। এতে লেক, পার্ক, খেলার মাঠ, ওয়াকওয়ে, জগিং ট্র্যাক, কৃত্রিম ঝরনা, রাস্তা নির্মাণ করা হবে। এখানে যারা বাস করবে, তাদের জন্য স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মার্কেট, কমিউনিটি স্পেসের ব্যবস্থা রাখা হবে। থাকবে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবস্থাও।

[১০] রাজউকের সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বলেন, অনেক বড় আকারের এই প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত করাসহ আনুষঙ্গিক কিছু কাজে সময় লেগেছে। এখন সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী মাসেই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ