প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভালো নেই লটারীতে ভর্তি হওয়া সরকারী স্কুলের অনেক শিক্ষার্থী

সুস্থির সরকার: করোনার কারণে ২০২১ ইং শিক্ষা বর্ষে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য কোন ভর্তি পরীক্ষা হয়নি। লটারীর মাধ্যমে তাদের নির্বাচন করে ভর্তি করা হয়েছে।

আবেদন নির্দেশনায় উল্লেখ ছিল পছন্দক্রম অনুসারে একজন শিক্ষার্থী ৫ টি বিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবে। ফলে ৫টির বিদ্যালয়ের কম সিলেক্ট করে আবেদন করলে আবেদন সাবমিট করা যেতো না বাধ্য হয়ে আবেদনকারীগন আশপাশের ৫টি বিদ্যালয়ে আবেদন করেছে।

তাতেই ঘটল জঞ্জাল, নেত্রকোণার শিক্ষার্থী চান্স পেলো ময়মনসিংহ জিলা স্কুল কিংবা মোহনগঞ্জের শিক্ষার্থী চান্স পেলো নেত্রকোণা আঞ্জুমান আদর্শ সরকারী স্কুলে।চলতি মাসের ১২ তারিখ থেকে ক্লাস শুরু হলেও দুরের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হতে পারছে না কারণ একজন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীর বয়স ১০ বছর তাকে একা একা পাঠিয়ে ৪০-৫০ কিলোমিটার জায়গা পারি দিয়ে ক্লাসে যোগদান করানো অভিভাবকদের জন্য কষ্ঠসাধ্য হয়ে পড়েছে।তাছাড়া অনেক পরিবারে মা-বাবা দুজনই সরকারী চাকুরী করেন তারা পড়েছেন বিপাকে।

নেত্রকোণার জনৈক অভিভাবক কামরুল ইসলাম জানান, তার ছেলে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে লটারীর মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ক্লাস শুরু হতে না হতেই বিরম্বনা শুরু হলো।তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকুরী করেন। নানান বিরম্বনার শিকার হয়ে তিনি তার ছেলে নিয়ে ক্লাসে যাচ্ছেন।তিনি জানান এভাবে প্রতিদিন সম্ভব হবে? তাই তিনি সরকারের কাছে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালু করার দাবি জানান।

আঞ্জুমান আদর্শ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকলিমা খাতুন জানান, দুরের শিক্ষার্থীদের এভাবে প্রতিদিন অভিভাবকদের দুর থেকে না নিয়ে এসে তাদের পারিবার শহরে শিফ্ট হওয়া উচিত। সন্তানের উন্নতির কথা বিবেচনা করে অভিভাবকদের এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করার পরামর্শ দেন তিনি।

নেত্রকোণা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেম মো: বুলবুল জানান, সপ্তাহে একদিন ক্লাস থাকায় দুরদুরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা কোনভাবে কষ্ট করে ক্লাস করতে পারছে কিন্তু নিয়মিত ক্লাস শুরু হলে এভাবে এসে ক্লাস করাটা তাদের জন্য ভীষণ কষ্টকর হবে।

জেলা প্রশাসক কাজি মো: আবদুর রহমান জানান, মাইগ্রেশনের জন্য কিছু আবেদন জমা পড়েছে তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‍সুনির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা না থাকায় কিছু করা সম্ভব হচ্ছেনা। শিক্ষার্থীর ভোগান্তির বিষয়টি তিনি অবগত আছেন বলে জানান তিনি।

অধিকাংশ অভিভাবক মনের করেন সরকার মাইগ্রেশন পদ্ধতি চালু করে নিকটস্থ স্কুলে পড়ার সুযোগ দিলে শিক্ষার্থী ও অভিভাব সকলেই বিরম্বনা থেকে মুক্তি পাবেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত