প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অকাস চুক্তি নিয়ে বিভক্ত পশ্চিমা বিশ্ব, বন্ধুত্ব ভাতৃত্ব যৌথ স্বার্থকে ছাপিয়ে সবার উপরে অর্থ

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা যে পশ্চিমাদের জন্য স্বার্থের দ্বন্দ্ব ছাড়া কিছুই নয়, তা আবারও প্রমান হলো। সম্প্রতি এই অঞ্চলের কথিত নিরাপত্তা রক্ষায় একটি চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্য। ফলে হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া সামরিক চুক্তি। যে চুক্তিবলে অস্ট্রেলিয়া ১২টি পারম্পরিক সাবমেরিন দেওয়ার কথা ছিলো ফ্রান্সের। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখন চায় চলের নিচে অনন্তকাল ডুবে থাকার শক্তি। বিবিসি

[৩] ফ্রান্স ৮টি সাবমেরিনের কাজ অর্ধেকের মতো করে ফেলেছিলো। নকশা প্রণয়ন অনেক আগেই শেষ। বলে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের লোকসানে পড়তে হবে দেশটিকে। তার তাদের ক্ষোভ শুধু অস্ট্রেলিয়ার উপরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তারা ক্ষেপেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উপরেও।

[৪] ক্ষুব্ধ প্যারিস এর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় তাদের নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে। পশ্চিমা কোনো মিত্র দেশ থেকে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানো খুবই অস্বাভাবিক ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া থেকে ফ্রান্স তাদের রাষ্ট্রদূতদের এই প্রথমবারের মতো ডেকে পাঠাল। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা বিবেচনা করেই তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

[৫] পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ ইভ লু দ্রিয়া বলেন, ‘এই চুক্তির মাধ্যমে পেছন থেকে ছুরি মারা হয়েছে। যে সমঝোতা হয়েছে তাতে মিত্র দেশ ও অংশীদারদের মধ্যে এমন আচরণের বিষয় রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের জোটসমূহের যে লক্ষ্য, অংশীদারিত্বের ওপর এর প্রভাব পড়বে’।

[৬] নবগঠিত অকাস জোটের তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে তাতে পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির জন্য অস্ট্রেলিয়াকে প্রযুক্তি সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে এসব সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে।

সর্বশেষ