প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রেজা আলী পাটোয়ারী: ধানমন্ডি থানা চেনেন লেভেল- প্লেইং-ফিল্ডওয়ালারা?

রেজা আলী পাটোয়ারী: হেজাবিরাও ওইটার চারপাশ দিয়ে নিত্য যাতায়ত করে। কিন্তু ইতিহাসটা জানে না। আরেক গ্রুপ আছে ‘আই হেইট পলেটিক্স’ কিন্তু তারেকের পাপ লাঘব করার জন্য শেখ রেহানাকে ‘দুর্নীতিবাজ’ হিসাবে ট্যাগ করে ‘লেভেল- প্লেইং-ফিল্ডের খেলা খেলে। তারা শিক্ষিত-প্রতিষ্ঠিত তাই তাদের কথারও বাজার দর আছে। ইলিয়াস-কনক-তাজরা আজ যে বুদ্ধিবৃত্তির ‘চুড়ুইবাতি’ খেলে সেগুলো আজকাল ফলো করে। দেড় যুগ ক্ষমতার বাইরে। কিন্তু প্রভাব-প্রতিপত্তি-অর্থে টান পরেনি। বরং বেড়েছে। ‘সবজ্যান্তা শমসের’ সলিমুল্লাহ খানের কথাই সঠিক। মাদ্রাসার ছাত্ররা বেশি মেধাবী।

ধর্মের নামে ব্যবসা করে কর্পোরেটওয়ালাদের চেয়ে শতগুণ এগিয়ে। প্রশ্ন হলো জোট সরকার আমলের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার কথা যখন বিবেচ্য তখন বিগত দেড় যুগে এর ভিন্নমাত্রা কীভাবে পেলো? এই বাস্তবতায় বসে মুজিব পরিবার বিরোধী মিথ্যাচারের জবাব দেওয়া কতোটা দীর্ঘস্থায়ী হয়-হবে-হচ্ছে? দলে কাদের, তথ্য-প্রযুক্তিতে পলক-জব্বার, গণভবনে খোকনরা ওই চুড়ুইবাতি’ পর্যায়ের। উপরুন্তু তাদের ছত্রছায়ায় লীগ বিরোধীরা সরকার-প্রসাশন-দলে ভীড়ে নিজদের আমলেরও চেয়ে বেশি বাটপারী করে অর্থ কামাচ্ছে। দিনের শেষে গিয়ে ঢালাওভাবে দোষ চাঁপে মুজিব পরিবারের ঘাঁড়ে। উদ্দেশ্য যা-ই থাকুক না কেন এবং প্রক্রিয়ায় আইন অমান্য করা হয়েছে কিনা কিংবা শেষ ধাপে আমলাদের পাল্লায় পরে স্বয়ং নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পরেছিলো কিনা সেই বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় যে, কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবসায়ী-আমলাদের লাগাম টেনে ধরেছিলেন। সে সূত্র ধরলে যে জোট সরকারের দুর্নীতির ধারাবাহিকতাও লীগ সরকারের ঘাঁড়ে বর্তায়নি।

তাহলে কেন পরিস্থিতি এমন লাগামহীন হলো?নিয়ন্ত্রণ-রক্ষণাবেক্ষণ করতে না পেরে জনসম্মুখে এসে হুমকি-ধামকি প্রটোকল বহির্ভূত কাজ, উল্টো নিজের দুর্বলতা-অসহয়ত্বতা প্রকাশ পায় এবং সর্বোপরি অতি ব্যবহারে তা বহুকাল আগেই ভোঁতা হয়ে গ্যাছে। হাজার টাকার বাগান দুই টাকার ছাগলে খায়–শুধুমাত্র খাম-খেয়ালীপনার কারণে। ক্ষমতার যাওয়ার পর ‘ন্যাচারল ব্রিডদের পাশে ঠেলে দিয়ে হাইব্রিডদের সঙ্গে মাখামাখি করার কারণেই শুধু নয়, তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে’। স্বাধীনতার পরেও ‘ফ্রাইডে ফাইটারদের পাল্লায় পরেছিলো। শিক্ষা হওয়ার নয়, হয়নি, হচ্ছে না, হবেও বলে মনে হয় না। যে মেজর রফিকের সঙ্গে লীগারদের শুরুতে যোগসূত্র এবং যে মেজর জিয়া যুদ্ধে অংশগ্রহণে অনীহা, সেই রফিক দৃশ্যপটের বাইরে চলে গেলেন আর মেজর জিয়া ডেপুটির পদ পেলেন। এখানেই নিহিত আছে সব প্রশ্নের উত্তর ও সমাধান এবং আত্মসুদ্ধির পথ। এই বিষয়ে আরেকদিন বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা রইলো। কারণ আশৈশব এর উত্তর খুঁজে ফিরছে যা চলমান অদ্যাবধি। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত