শিরোনাম
◈ দুই মাস আগে আপত্তি, এখন ফিফা সভাপ‌তি ইনফান্তিনোর পাশে এএফসি  ◈ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘গুপ্ত’ বিতর্ক কেন, বিএনপি-জামায়াতের বিরোধে বাড়ছে অবিশ্বাস? ◈ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রূপ নিতে পারে, বাংলাদেশে বৃষ্টির আভাস ◈ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে রেলিং ভেঙে বাস খাদে, নিহত ৩, আহত অন্তত ১৬ ◈ ২০২৮ অলিম্পিক ক্রিকেটের বাছাইপর্ব জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে ◈ মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা ◈ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর, যেভাবে পাল্টে গেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সমীকরণ ◈ চার দশকের অপেক্ষার অবসান, ২০ নভেম্বর চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন ◈ সাজেক দখলে মরিয়া দুই পক্ষ, বিপাকে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ◈ ২০২৭ সালের জুনে চালু হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প, উপকৃত হবে ২০ লাখ মানুষ

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রোগীর নিরাপত্তার জন্য কী ব্যবস্থা আছে বাংলাদেশে

মিনহাজুল আবেদীন: [২] যশোরের ঝিকরগাছার জান্নাতুল ফেরদৌসের বাবা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন মাস দুয়েক আগে। স্থানীয় চিকিৎসক তাকে যে ওষুধ দেন তাতে তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হয়। এই অবস্থায় জান্নাতুল ফেরদৌস তার বাবাকে ঢাকার নামকরা একটা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানে চরম অবহেলার শিকার হন বলে তিনি দাবি করেন। বিবিসি বাংলা

[৩] জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, যে ডাক্তারগুলো আমার বাবাকে দেখেছেন তারা আমাদের সঙ্গে কোঅপারেট করেননি। প্রধান যে ডাক্তার তিনি ৩০ সেকেন্ডের জন্য এসেছেন, দরজায় দাঁড়িয়ে দেখে চলে গেছেন। আমরা যখন জিজ্ঞেস করেছি তখন আমাদের সঙ্গে রুঢ় ব্যবহার করেছে। একদিন রাতে ডিউটি ডাক্তারের একটা ভুল সিদ্ধান্ত এবং ভুল ওষুধ প্রয়োগ করার জন্য আমার বাবা অজ্ঞান হয়ে যান এবং তিনি মুমূর্ষ অবস্থায় চলে যান।

[৪] এ বিষয়ে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে রোগীর আইনী ব্যবস্থা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, কোনো রোগী বা তার পরিবার যদি তাদের চিকিৎসা নিয়ে বিক্ষুব্ধ হন তাহলে বিএমডিসি'র কাছে বিচার চাইতে পারেন। অভিযোগ নিবন্ধন করার পর শৃঙ্খলা কমিটি সেটা যাচাই-বাছাই করে।

[৫] তিনি বলেন, যে রোগ নিয়ে অভিযোগ সেই রোগের এক্সপার্টদের দিয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটি তাদের রিপোর্ট এক্সিকিউটিভ কমিটিকে দেয়। এই কমিটি যদি দেখে ডাক্তার দোষ করেছে তাহলে তার দোষের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে ওই ডাক্তারের লাইসেন্স বাতিল করা হয় যেটা একটা ডাক্তারের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি।

[৬] তিনি আরও বলেন, বিএমডিসিতে রোগী বা তার স্বজনরা যে প্রতিকার পেতে পারেন সেটা সম্পর্কে অনেকে জানেন না। সেকারণে অভিযোগ কম আসে। গত ৪৫ বছরে নয় জন ডাক্তারকে সাময়িক লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আর একজনের সারা জীবনের জন্য বাতিল করা হয়েছে।

[৭] ড. লেনিন চৌধুরি বলেন, ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাখ্যা করার ব্যাপারটা বাংলাদেশের কোনো কারিকুলামে নেই। ফলে ডাক্তার তার পরামর্শ বোঝাতে পারেন না ফলে রোগীরা অনেক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন না। স্ট্যান্ডার্ড প্রাকটিস হলো, একজন ক্লিনিক্যাল ফার্মাকলজিস্ট থাকেন যিনি ডাক্তারের প্রেসক্রিপসনের ওষুধ সম্পর্কে, কোন ওষুধ কতো ডোজে কেনো দেয়া হচ্ছে, রোগীর অবস্থা সব কিছু ব্রিফ করেন। কিন্তু বাংলাদেশের কোন কারিকুলামে এটা ডিফাইন করা হয়নি যে এটা রোগীর বা তার স্বজনের কাছে ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব কার।

[৮] এদিকে সংস্থাটি বলছে, রোগীর নিরাপত্তার জন্য যদি চিকিৎসায় সন্তুষ্ট না হন বা অবহেলা বা ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন বলে মনে করেন সেই ক্ষেত্রে হাসপাতাল ভাঙচুর করে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সরাসরি বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলে অভিযোগ করাটাই রোগীদের সুরক্ষা দিতে পারে।

  • সর্বশেষ