প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জংশন স্টেশন সান্তাহারে সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু

এএফএম মমতাজুর রহমান : [২] বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত ঐতিহাসিক সান্তাহার জংশন স্টেশনের সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনসারী এন্টারপ্রাইজ ১৯ হাজার বর্গফুট সীমানা প্রাচীরের কাজটি করছে। সান্তাহার জংশন স্টেশনকে ঘিরে চারপাশে এই সীমানা প্রাচীর হবে। সমগ্র সীমানা প্রাচীরে মাত্র দুটি সুরক্ষিত গেইট থাকবে।

[৩] সীমানা প্রাচীরের কাজের কার্যাদেশ ৬ মাস সান্তাহার জংশন স্টেশন নানা দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক একটি স্টেশন হওয়া সত্বেও এতদিন এই স্টেশনের কোন সীমানা প্রাচীর ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সান্তাহার নাগরিক কমিটি সান্তাহার প্রেসক্লাব অনেকদিন থেকে দাবি-দাওয়া ও লেখালেখি করে আসছিলেন। সীমানা প্রাচীর না থাকায় স্টেশনের পূর্বপাশে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিদিন গরু, ছাগল, ভেড়া বিচরণ করত। ট্রেনের ধাকায় একবার একটি গরু কাটাও পড়েছিল। তাছাড়া সান্তাহার পৌরসভার প্রায়ত কমিশনার মাসুম স্মরণি সড়ক দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয় পথ যাত্রীরা। আবার প্রায় সময় সান্তাহার স্টেশনেই কিশোর গ্যাং এর সদস্যদের বিচরণ করতে দেখা যায়। পকেটমার ও মলম পার্টির সদস্যদের দ্বারা অনেক সময় ট্রেনে আসা যাত্রীরা আক্রমণের শিকার হয়ে থাকে। তাছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় ট্রেনে আসা বিনা টিকিটের যাত্রীরা বিনা বাধায় স্টেশন ত্যাগ করতে পারে।

[৪] সীমানা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে উক্ত সমস্যাগুলি নিরসন হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করেন। সান্তাহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন,আমরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সান্তাহার স্টেশনের সীমানা প্রাচীরের দাবি জানিয়ে বহু লেখালিখি করে আসছি বহুদিন থেকে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ হলে স্টেশনে কিশোর গ্যাং এর কার্যকালাপ কমবে এবং স্টেশনটির আয় বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনে করি।

[৫] সান্তাহার নাগরিক কমিটির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমরাও নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে সীমানা প্রাচীর নির্মানের বিষয়ে কাজ করছি। এখন যানজট নিরসনে সান্তাহার রেল গেটে একটি ওভারব্রিজ হলে নাগরিক সমাজের চলাফেরা ও ভয়াবহ যানজট নিরসন হত। মের্সাস আনসারী এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার সুলতান মাহমুদ রুবেল বলেন, আমি এই শহরের সন্তান। সান্তাহারের ঠিকাদার হয়ে সান্তাহারের এই কাজটি করতে পেরে আমি আনন্দিত। শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে কাজটি হবে বলে আমি আশা করছি।

[৬] সান্তাহার জংশন স্টেশনের মাস্টার রেজাউল করিম ডালিম বলেন, যেহেতু সান্তাহার জংশন টেশন একটি সংরক্ষিত এলাকা সেহেতু এই সীমানা প্রাচীর তৈরির মাধ্যমে স্টেশনে অবাঞ্চিত লোকজন ও গরু-ছাগল প্রবেশ করতে পারবে না। এর মাধ্যমে স্টেশনের আয়ও বাড়বে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত