প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অকাস চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়াকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বললো চীন

আখিরুজ্জামান সোহান: [২] এবার অকাস চুক্তির কড়া সমালোচনা করল চীন। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে করা এই নিরাপত্তা চুক্তিকে ‘অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘সংকীর্ণ মনোভাব’ বলে অভিহিত করেছে বেইজিং। বিবিসি

[৩] এই বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, জোটটি আঞ্চলিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

[৪] জোটের সমালোচনা করে লিজিয়ান আরো বলেন, জোটটি তৈরীর মাধ্যমে দেশগুলি ‘কোল্ড ওয়ার’ মানসিকতা পোষণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশ তিনটি নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে নিজেরাই আঘাত করছে।

[৫] উল্লেখ্য, চীনকে মোকাবিলায় একটি চুক্তির মাধ্যমে একজোট  আমেরিকা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। গত বুধবার তিন দেশের মধ্যে বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তি সম্পন্ন হয়। অকাস নামের এই চুক্তির আওতায় থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম টেকনোলজি ও সাইবারের মতো বিষয়গুলো। চীনকে মোকাবিলা করতে আমেরিকা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে কোয়াডও তৈরি হয়েছে। এই গোষ্ঠীর বৈঠক আগামী মাসে ওয়াশিংটনে হবে।

[৬] বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অকাসের আওতায় প্রথম উদ্যোগে হিসেবে আমরা পরমাণু চালিত সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে সহায়তার অঙ্গীকার করছি। এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতায় এবং আমাদের যৌথ স্বার্থের সহায়তায় মোতায়েন করা হবে।’ বিবৃতিতে সাইবার সক্ষমতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সাগরতলে কার্যক্রমে সক্ষমতার কথাও বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যের রানি এলিজাবেথ এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারও এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয়র গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে যার মধ্যে আছে অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধ, সন্ত্রাসের হুমকি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো বিষয়গুলো। সাইবার স্পেসসহ নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলোর বিরুদ্ধে এটি সর্বাগ্রে থাকবে।

[৭] চীনের সঙ্গে আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিন দেশের এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভার্চুয়াল বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘আজ আমরা একটা ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছি। এর ফলে তিন দেশের সম্পর্ক আরো জোরালো হবে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।’

সর্বাধিক পঠিত