প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: সড়ক নয়, যেন মরণফাঁদ

এম আর আমিন: [২] চট্টগ্রামে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ যেন এলাকাবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যস্ততম সড়কটি এখন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খানাখন্দে যান চলাচলের অনুপযোগী। মাঝে-মধ্যে খানাখন্দে মালবাহী ট্রাক আটকা পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিমানযাত্রী ও পোশাক শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন।

[৩] প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। সড়কে গ্রীষ্মকালে ধূলিদূষণ আর বর্ষায় পানি-কাদার ভয়ানক পরিস্থিতির ফলে দিশাহারা পথচারী-জনসাধারণ। মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা এ প্রকল্প নিয়ে ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন- কবে শেষ হবে? কবে মানুষ মুক্তি পাবে এই যন্ত্রণা থেকে? বেশ কয়েকটি ভারী যানবাহন উল্টে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।

[৪] ব্যস্ততম রোড়ে সল্টগোলা ক্রসিং থেকে সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পিচ ঢালাই সড়ক এখন মাটির সড়কে পরিণত হয়েছে। এখন আর বোঝার উপায় নেই এখানে এক সময় পাকা রাস্তা ছিল। বর্তমান অবস্থা এতটাই খারাপ যানবাহন তো দূরের কথা পথচারীও হেঁটে যাতায়াত করতে পারছে না। চরম দুর্ভোগে পড়ছে কয়েক লাখ মানুষ। ব্যস্ততম সড়কটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে,যেন রক্তের রহিত জল থৈ থৈ সড়কের বেহাল দশা,ফুটপাত-ড্রেন নালা সড়ক একাকার।

[৫] বৃষ্টি না হলেও, জোয়ারের পানি না আসলেও পয়ঃনিস্কাসনের পানি মূল সড়কে জমে তীব্র জল-যান ভুগান্তিতে নিরীহ পথচারী, অফিসগামী লোকজন, গার্মেন্টস শ্রমিক এবং বিমানযাত্রীসহ অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছুতে পারছে না গন্তব্যে। দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে থাকা ব্যস্ততম সড়ক দুটির এ জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান নির্মাণ কাজকে দায়ী করা হচ্ছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার বা স্প্যান স্থাপনের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়। এরপর পিলার স্থাপন হলেও গোড়া ভরাট না করায় চতুর্দিকে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। ধীরে ধীরে যা বড় হয়েছে। ফলে নষ্ট হয়েছে সড়ক।

[৬] এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সড়ক সংস্কারের অনুরোধ জানিয়ে গত রোববার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সিডিএকে চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

[৭] চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এলিভেটেডে এঙেপ্রেসওয়ে নির্মাণ শেষে সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সিডিএর।

[৮] এলিভেটেডে এঙেপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, আপাতত টুকটাক সংস্কার করা হচ্ছে। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে। বৃষ্টি কমলেই আমরা কাজ করে দিব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত