প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জবির নতুন ক্যাম্পাস: তিন দফা মেয়াদ বাড়লেও হয়নি মাস্টারপ্ল্যান

জবি প্রতিনিধি: [২] জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের মেয়াদ তিন দফায় বাড়লেও এখনো মাস্টারপ্ল্যানের কোম্পানী নিয়োগ হয়নি। কোম্পানী নিয়োগে জটিলতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ন মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তিন বছরেও মাস্টারপ্ল্যান কোম্পানী নিয়োগ দিতে পারেনি।
[৩] কোম্পানী নিয়োগের আগে এ প্রতিমন্ত্রী একটি নির্দিষ্ট কোম্পানীর তৈরি করা মাস্টারপ্ল্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমানকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন। আজ মাস্টারপ্ল্যান নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক।
[৪] জানা যায়, ২০১৯ সালে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহন ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য ২৯ কোটি ৫৮ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরবানাকে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিয়োগে সুপারিশ করে।
[৫] গত ১১ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ২০২০-২১ আর্থিক বার্ষিক কর্মসূচির সভায় নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগ ও মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের জন্য ক্রয় প্রক্রিয়া পিপিআর অনুযায়ী না হওয়ায় বিষয়টি মন্ত্রনালয় থেকে অনুমোদন দেয়নি।
[৬] ২০১৯ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ মাস্টারপ্ল্যানের চিত্র উপস্থাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই মাস্টারপ্ল্যানের চিত্র বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনও করেন।
 [৭] ২০২১ সালের ৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক যোগদানের পর মাস্টারপ্ল্যানের কোম্পানী নিয়োগে জটিলতা ও অনিয়মের কারণে পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করেন। গত ২৩ আগস্ট মাস্টারপ্ল্যানের জন্য পুনঃদরপত্র আহ্বানে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক নির্দেশনা দেন।
[৮] কিন্তু ফের পুন:বিজ্ঞপ্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাহায্যে মাস্টারপ্লানের কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
 [৯] এর মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিন দফায় বৃদ্ধি হয়েছে। মাস্টারপ্ল্যান না হওয়ায় লেক নির্মাণের টেন্ডার বাতিল হয়েছে। আটকে আছে পুরো কাজ।
[১০] জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী সাহাদাত হোসেন বলেন, মাস্টারপ্ল্যানের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে হলে নতুন ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত করা যাবে। কিন্তু  উপাচার্য মাস্টারপ্ল্যান প্রক্রিয়াটির কাজ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে করার জন্য আমাদেরকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে চিঠি দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কাজটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যাবে।এভাবে করলে কাজটি দীর্ঘায়িত হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত