শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:২৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষাবর্ষ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন’

আমিরুল ইসলাম : [২] ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, দেড় বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটি বাতিল করা উচিত। করোনায় শিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে তা কখনোই পুরোপুরি পুষিয়ে ওঠা যাবে না। তবে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

[৩] বিকল্প পাঠদান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেরাই ঠিক করবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একভাবে পারবে না। কারণ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা অপ্রতুল। অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়তো অনেকের পক্ষে সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীদেরও পড়ালেখায় অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে।

[৪] নতুন করে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এমনকি বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনেও তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে।

[৫] শিক্ষাবিদ মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষাবর্ষ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরে শেষ না করে আরও দুই মাস বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের অসমাপ্ত লেখাপড়ার যতোটুকু সম্ভব শেষ করে তারপর পরীক্ষা নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত দুই মাস বাড়ানো হলে পরবর্তী বছরে ১০ মাসে শিক্ষাবর্ষ শেষ করতে কোনো সমস্যা হবে না।

[৬] পরের বছর অপ্রয়োজনীয় ছুটি কমিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে ঘাটতি আছে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে শিক্ষাক্রমকে ঢেলে সাজানো দরকার।

[৭] শিক্ষার্থীদের সহপাঠ কর্মসূচি বাড়িয়ে দিতে হবে, যাতে করে তারা আনন্দ পায়।

  • সর্বশেষ