শিরোনাম
◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও) ◈ এবার টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, হামলার দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:২৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষাবর্ষ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন’

আমিরুল ইসলাম : [২] ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, দেড় বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটি বাতিল করা উচিত। করোনায় শিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে তা কখনোই পুরোপুরি পুষিয়ে ওঠা যাবে না। তবে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

[৩] বিকল্প পাঠদান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজেরাই ঠিক করবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একভাবে পারবে না। কারণ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা অপ্রতুল। অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়তো অনেকের পক্ষে সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীদেরও পড়ালেখায় অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে।

[৪] নতুন করে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এমনকি বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনেও তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে।

[৫] শিক্ষাবিদ মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষাবর্ষ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরে শেষ না করে আরও দুই মাস বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের অসমাপ্ত লেখাপড়ার যতোটুকু সম্ভব শেষ করে তারপর পরীক্ষা নেওয়া উচিত। অতিরিক্ত দুই মাস বাড়ানো হলে পরবর্তী বছরে ১০ মাসে শিক্ষাবর্ষ শেষ করতে কোনো সমস্যা হবে না।

[৬] পরের বছর অপ্রয়োজনীয় ছুটি কমিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে ঘাটতি আছে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে শিক্ষাক্রমকে ঢেলে সাজানো দরকার।

[৭] শিক্ষার্থীদের সহপাঠ কর্মসূচি বাড়িয়ে দিতে হবে, যাতে করে তারা আনন্দ পায়।

  • সর্বশেষ