প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভোক্তা অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ

মো. আখতারুজ্জামান : [২] জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ ও ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণে এ অধিদপ্তর বাজার তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা, ভোক্তাদের লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

[৩] বৃহস্পতিবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক, সহকারী পরিচালকগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অধিদপ্তর, এঅওঘ, বিএসটিআই এবং বিসিক-এর বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তার মাধ্যমে দিনব্যাপী ৬ পৃথক কর্ম-অধিবেশনে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

[৪] সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা জিএআইএন বাংলাদেশে পুষ্টিমান উন্নয়নে ২০০২ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই) এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সাথে সহযোগিতা চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিতকরণার্থে যৌথভাবে কাজ করছে।

[৫] এরই ধারাবাহিকতায় বংলাদেশে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়াধীন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাথেও ৬ মাস মেয়াদী একটি যৌথ কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করে।

[৬] সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে অধিদপ্তর পরিচালিত অন্যতম কার্যক্রম বাজার তদারকিকরণকে শক্তিশালীকরণের ক্ষেত্রে অধিদপ্তর এবং জিএআইএন যৌথভাবে কাজ করবে।

[৭] বিশেষ করে দুটি ভোগ্যপণ্য- ভোজ্য তেল ও লবণের পুষ্টিমান নিশ্চিতের লক্ষ্যে পণ্য দু’টির নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা, অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক সভা বা মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। সম্পাদনা : ভিকটর রোজারিও

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত