প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরো ২৫৬ জন হাসপাতালে

শাহীন খন্দকার : [২] গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ২১২ জন। ঢাকার বাইরে নতুন ভর্তি রোগী ৪৪ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্নসরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তিরোগী ১ হাজার ২৪২জন। এদিকে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ১ হাজার ৮৮জন। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে বর্তমানে সর্বমোট ভর্তিরোগী ১৫৪ জন।

[৩] এছাড়াও চলতি বছর বুধবার পর্যন্ত সর্বমোট ভর্তি রোগী ১২ হাজার ৬৯০ জনের মধ্যে ১১ হাজার ৩৯৫ জন চিকিৎসা সেবা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এপর্যন্ত ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে মারা গেছে ৫৩ জন। অন্যদিকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগী ২হাজার ৩৩৪ জন। আগস্ট মাসে সারা দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত ৭ হাজার ৬৯৮ জুলাইতে ২ হাজার ২৮৬ জন। জুনে ২৭২ জানুয়ারীতে ৩২ ফেরুয়ারীতে ৯ মার্চে ১৩ আর এপ্রিলে ৩ এবং মে মাসে ৪৩ জন বলে নিশ্চিত করেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য ইউনিট (এম আই এস) হেলত ইমার্জেন্সি অপারেশন কণ্ট্রোল রুমের তথ্য থেকে এসব জানা যায়

[৪] মঙ্গলবার একদিনে ৩৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এটিই ছিলো একদিনে সর্বাধিক রোগী। আগস্ট শেষে সেপ্টেম্বরে এসেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে না। প্রতিদিন গড়ে আড়াইশ’র বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। শুরুতে বেশিরভাগ রোগীই ছিলো ঢাকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঢাকার বাইরে সাভার, দোহার, গাজীপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় অনেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে।

[৫] শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফি আহমেদ বলেন, গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর পেছনে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশাকে দায়ী । তিনি বলছেন, ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর সাথে দুই ধরণের মশা জড়িত, একটি এডিস এলবোপিক্টাস। অন্যটি এডিস ইজিপ্টাই। যার মধ্যে ইজিপ্টাই ঢাকা বা শহরাঞ্চলে বেশি থাকে। এডিস এলবোপিক্টাসের মাধ্যমেই গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে।

[৬] ২০১৯ সালে ডেঙ্গু যখন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিলো সেবারও গ্রামাঞ্চলের বহু মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার যেনো সেই ভয়াবহতার পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য এখনই ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এজন্য এডিস এলবোপিক্টাস মশা জন্মানোর প্রাকৃতিক উৎস ধ্বংস করতে হবে।

[৭]ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনার প্রকোপ কমে আসায় সব হাসপাতালকে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য খুলে দেয়ার কথা বলছেন তারা। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বারবারই জনসচেতনতার উপর জোর দেয়া হয়। গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণেও জনসচেতনতার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভার সক্রিয় ভূমিকা পালন জরুরি, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত