শিরোনাম
◈ তেল-গ্যাসে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা কতটা ◈ যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইরান, সামনে তিন শর্ত ◈ উত্তর ইসরায়েলে তীব্র হামলা: ইরান-হিজবুল্লাহর ১০০ রকেট নিক্ষেপের দাবি ◈ রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় র‌্যাবের ওপর হামলা ◈ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন কে? নানা আলোচনা ◈ স্বাভাবিক হয়নি ভোজ্যতেলের বাজার ◈ সিঙ্গাপুর থেকে জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ ◈ সহ আ‌য়োজক যুক্তরা‌স্ট্রে ইরান বিশ্বকাপ খেলবে না, জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী ◈ বিদ্যুৎ–জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২১ সকাল
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অযত্নে জয়গঞ্জের জমিদারবাড়ি

নিউজ ডেস্ক : দীর্ঘদিন অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকা ঝোপ-জঙ্গলের মাঝে পুরনো ঐতিহ্যকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে জয়গঞ্জের জমিদারবাড়ি। জয়গঞ্জ বাজারটিও প্রায় ২৪ বছর আগে অন্যত্র স্থানান্তর হয়েছে। সংস্কার করলে পুরাকীর্তির ঐতিহ্য ফিরে পেতে পারে জমিদারবাড়ির অবয়ব। গড়ে উঠতে পারে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আত্রাই নদীর তীরে আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের জয়গঞ্জ গ্রামে পুরাকীর্তি জয়গঞ্জ জমিদারবাড়ির অবস্থান। এখনো দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ ইতিহাসখ্যাত জয়গঞ্জ জমিদারবাড়িটি দেখার জন্য আসেন। কিন্তু অযত্নে জয়শংকর রায় চৌধুরীর জমিদারবাড়িটি বিলুপ্ত হওয়ার পথে। জমিদারবাড়ির অনেক কিছুই নষ্টের পাশাপাশি চুরি হয়ে গেছে।

জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৪৭ সালে সর্বশেষ জমিদার জয়শংকর ভারতের শিলিগুড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় শত একর জমি এবং বসতবাড়িটি রেখে যান। পরবর্তীতে এসব জমির মধ্যে কিছু ব্যক্তি মালিকাধীন এবং কিছু অংশ সরকারি খাস জমিতে পরিণত হয়। বর্তমানে খাস জমিতে থাকা পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা একতলা বাড়িটিতে তিনটি বারান্দা, একটি বসার ঘর, একটি থাকার ঘর, সম্পদ রাখার একটি ছোট ঘর এবং একটি মন্দির রয়েছে।

জমিদারবাড়িটির পূর্বে কয়েক গজ দূরে রয়েছে একটি ইদারা বা কুয়া। এখন ইদারাটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের অভাবে বাড়িটির দেয়ালের অংশ এখন প্রায় ৩০/৪০ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকা বাড়িটির চারপাশের ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন ২০০৬ সালে ৫০টি পরিবারের একটি গুচ্ছগ্রাম স্থাপন করে দেয়।

এতে জমিদার বাড়িটি জঙ্গলের হাত থেকে রক্ষা পেলেও প্রাকৃতিক আবহাওয়ার কাছ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এরই মধ্যে বাড়িটির চার পাশের প্রাচীর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তবে ওই বাড়ির প্রবেশদ্বারে যে লোহার গেটটি ব্যবহার হতো সেটি এখন খানসামা থানার প্রবেশ পথে ব্যবহার হচ্ছে। জমিদার বাড়িটির তিন পাশে রয়েছে তিনটি পুকুর।

খানসামার আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ স ম আতাউর রহমান জানান, ভগ্নদশা থেকে এই পুরাকীর্তিটি যাতে রক্ষা পায়, এটা আমরা চাই। সংস্কার করলে আবারও নতুন রূপে পুরাকীর্তির ঐতিহ্য ফিরে পেতে পারে জমিদার বাড়িটি। এটিও গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের মিলন মেলা হিসেবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়