শিরোনাম
◈ উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ, প্রধান উপদেষ্টাকে পাওলা পাম্পালোনি ◈ জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি পদে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে শিবিরের রিয়াজুল ◈ ইসিতে যেসব অভিযোগ জানাল জামায়াত ◈ সংগীত বিভাগে শিবির সমর্থিত জিএস-এজিএস প্রার্থীর ঝুলিতে শূন্য ভোট ◈ নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ কেন? দ্বীপটি কতটা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ◈ ব্যাংক ঋণে বাড়ি কেনা সহজ হলো, নতুন সার্কুলার জারি ◈ তারেক রহমান নয়াদিল্লির জন্য “সবচেয়ে নিরাপদ বাজি” ◈ হলফনামায় তথ্য অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল, সংশোধন করেছি: এনসিপি প্রার্থী সারজিস আলম ◈ ‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়’

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২১ সকাল
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অযত্নে জয়গঞ্জের জমিদারবাড়ি

নিউজ ডেস্ক : দীর্ঘদিন অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকা ঝোপ-জঙ্গলের মাঝে পুরনো ঐতিহ্যকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে জয়গঞ্জের জমিদারবাড়ি। জয়গঞ্জ বাজারটিও প্রায় ২৪ বছর আগে অন্যত্র স্থানান্তর হয়েছে। সংস্কার করলে পুরাকীর্তির ঐতিহ্য ফিরে পেতে পারে জমিদারবাড়ির অবয়ব। গড়ে উঠতে পারে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আত্রাই নদীর তীরে আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের জয়গঞ্জ গ্রামে পুরাকীর্তি জয়গঞ্জ জমিদারবাড়ির অবস্থান। এখনো দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ ইতিহাসখ্যাত জয়গঞ্জ জমিদারবাড়িটি দেখার জন্য আসেন। কিন্তু অযত্নে জয়শংকর রায় চৌধুরীর জমিদারবাড়িটি বিলুপ্ত হওয়ার পথে। জমিদারবাড়ির অনেক কিছুই নষ্টের পাশাপাশি চুরি হয়ে গেছে।

জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৪৭ সালে সর্বশেষ জমিদার জয়শংকর ভারতের শিলিগুড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় শত একর জমি এবং বসতবাড়িটি রেখে যান। পরবর্তীতে এসব জমির মধ্যে কিছু ব্যক্তি মালিকাধীন এবং কিছু অংশ সরকারি খাস জমিতে পরিণত হয়। বর্তমানে খাস জমিতে থাকা পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা একতলা বাড়িটিতে তিনটি বারান্দা, একটি বসার ঘর, একটি থাকার ঘর, সম্পদ রাখার একটি ছোট ঘর এবং একটি মন্দির রয়েছে।

জমিদারবাড়িটির পূর্বে কয়েক গজ দূরে রয়েছে একটি ইদারা বা কুয়া। এখন ইদারাটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের অভাবে বাড়িটির দেয়ালের অংশ এখন প্রায় ৩০/৪০ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকা বাড়িটির চারপাশের ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন ২০০৬ সালে ৫০টি পরিবারের একটি গুচ্ছগ্রাম স্থাপন করে দেয়।

এতে জমিদার বাড়িটি জঙ্গলের হাত থেকে রক্ষা পেলেও প্রাকৃতিক আবহাওয়ার কাছ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। এরই মধ্যে বাড়িটির চার পাশের প্রাচীর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। তবে ওই বাড়ির প্রবেশদ্বারে যে লোহার গেটটি ব্যবহার হতো সেটি এখন খানসামা থানার প্রবেশ পথে ব্যবহার হচ্ছে। জমিদার বাড়িটির তিন পাশে রয়েছে তিনটি পুকুর।

খানসামার আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ স ম আতাউর রহমান জানান, ভগ্নদশা থেকে এই পুরাকীর্তিটি যাতে রক্ষা পায়, এটা আমরা চাই। সংস্কার করলে আবারও নতুন রূপে পুরাকীর্তির ঐতিহ্য ফিরে পেতে পারে জমিদার বাড়িটি। এটিও গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের মিলন মেলা হিসেবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়