প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশে ফিরিয়ে আনা হবে ভারতে গ্রেপ্তার ইন্সপেক্টর সোহেলকে: ডিএমপি কমিশনার

সুজন কৈরী : [২] গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

[৩] রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, যেহেতু ভারতে মামলা হয়েছে এ কারণে তাকে ফিরিয়ে আনা যাবে কি-না সেটি নিশ্চিত না। তবে ফিরিয়ে আনার রাস্তা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিএসএফকে চিঠি দিয়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এটি অনেক সময় করা হয়। আমরা চেষ্টা করছি ফিরিয়ে আনতে। যদি এই মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হয় তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ফেরত আনার চেষ্টা করবে।

[৪] ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, পরিদর্শক সোহেল রানার বিষয়ে গুলশান বিভাগ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। রিপোর্ট পেলে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

[৫] শনিবার ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে শুক্রবার কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে সোহেল রানা নামের এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন তিনি।

[৬] অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে গত ১৭ আগস্ট মামলা করেন প্রতারণার শিকার গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। ওই সময় তার সঙ্গে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি হয়। আসামিরা হলেন ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ এবং বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানা।

[৭] তবে শুরু থেকেই ই-অরেঞ্জের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করছিলেন তিনি। তবে ই-অরেঞ্জ বাংলাদেশ নামে প্রতিষ্ঠান খুলতে নেওয়া টিআইএন সনদে পরিচালক হিসেবে সোহেল রানার নাম দেখা যায়।

[৮] এদিকে ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় ভারতে আটক বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানাকেও আসামি করা হয়েছে। ১০ জনকে অভিযুক্ত করে দায়ের করা মামলাটি আদালতের নির্দেশে রাজধানীর গুলশান থানা পুলিশ গ্রহণ করেছে।

[৯] গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান জানান, আদালতের আদেশে বৃহস্পতিবার মামলাটি নেওয়া হয়। এখন তদন্ত চলছে। গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলায় ভারতে আটক পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানাকে ১০ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিরা হলেন, প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনিন নাহার বিথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আব্দুল কাদের, নূরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

সর্বাধিক পঠিত