প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাইকে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা করেছেন ৩৬ বছর, সরকার বদলের সঙ্গে পরিবর্তন হয় নামও

খাদেমুল বাবুল : [২] জামালপুরের ইসলামপুর পৌর এলাকার আফজাল(৫০) মাইকে প্রচার-প্রচারণাই যার পেশা। আশির দশকে ৫০ টাকা বেতনে সিনেমা হলের মাইকিং দিয়েই এ পেশা শুরু করেন আফজাল। সিনেমা হলের ব্যবসায় ভাটা পড়লে পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচরণা শুরু করেন।

[৩] জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পার্টির প্রচার-প্রচারণায় নিজেকে হুসাইন মুহাম্মদ আফজাল নাম দেন।

[৪] ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিএনপির মহাসচিব ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম নামানুসারে আফজালের নাম হয় তালুকদার আফজালুর রহমান।

[৫] ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ইসলামপুরের রাশেদ মোশারফ ভূমি প্রতিমন্ত্রী হলে শেখ আফজাল মোশারফ নাম ধারণ করে। ২০০১ সালে বিএনপি আবারো ক্ষমতায় এলে আফজালুর রহমান নাম গ্রহণ করে সে।

[৬] ১/১১ সরকারের সময় আফজাল উদ্দিন ইউ আহাম্মেদ এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে আবারো শেখ আফজাল হয়ে ওঠে। ২০২১ ইসলামপুর আসনের এমপি ফরিদুল হক খান ধর্ম প্রতমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলে শেখ আফজাল নামের সঙ্গে খান যুক্ত করেন।

[৭] বর্তমানে তিনি শেখ আফজাল খান নামে জেলাব্যাপী মাইকে সরকারি-বেসরকারি, রাজনৈতিক দল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

[৮] মাইকিংয়ের পাশাপাশি আফজালের নেশা প্রসংশাপত্র সংগ্রহ করা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া এমন কোন রাজনৈতিক নেতা, ভিআইপি, সরকারের উর্র্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিআইপি নেই যে আফজাল তার নিকট প্রসংশাপত্র সংগ্রহ করেনি।

[৯] আফজাল বলেন, আমার কোন দোষ নেই সরকার বদলে তাই আমিও বদলায়। তবে বাকি জীবন শেখ আফজাল খান নামেই কাটাতে চাই। সারা দিন মাইক মারি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পাই তাই দিয়ে দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে কোন রকমে দিনাতিপাত করছি।

[১০] করোনাকালীন মাইক মারা তেমন নেই। মাঝে মধ্যে সরকারি দুই-একটি কাজ এলে দুই-চার’শ আসে তা দিয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছি।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত