প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

থেমে যাওয়া ছবিগুলোর কাজ শুরু হচ্ছে বিপাশা কবিরের

ইমরুল শাহেদ: ক্যারিয়ার তৈরি সহজ কাজ নয়। চলচ্চিত্রে সুযোগ পাওয়া সহজ। কিন্তু অবস্থান ধরে রাখা খুবই কঠিন। আগে প্রতি সপ্তাহে তারকাদের ভাগ্য বদলে যেত। এক সপ্তাহে একজন তারকার ছবি হিট হয়তো, পরের পরের সপ্তাহে আরেকজনের ছবি হিট হচ্ছে। কিন্তু এখন সেই সুযোগ নেই।

সবাই চলছেন আন্দাজের উপর। অনুমান করা হয় ‘অমুক’ নাকি বেশ ভালোই করছে। কিন্তু কোথায় কি ভালো করছে তা স্পষ্ট নয়, অর্থাৎ চলচ্চিত্র হলো সমষ্টিগতভাবে উপভোগ করার মাধ্যম। সেই পরিবেশ এখন আর নেই বললেই চলে। এনড্রয়েড মোবাইলের কারণে বিনোদন হয়ে গেছে ব্যক্তি কেন্দ্রিক। ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের এই সময়ে যারা ক্যারিয়ার নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত তাদের মধ্যে বিপাশা কবিরও একজন।

তিনি ২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’ ছবির আইটেম গানে অংশ নিয়ে রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করেন। এরপর অনেক ছবিতে আইটেম গানে পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন তিনি। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে বেশকিছু সিনেমা। করোনা মহামারির কারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞায় ছবিগুলোর কাজ থেমে থাকলেও এখন আবার সেগুলো শুরু হতে যাচ্ছে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আবারো কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩টি ছবির কাজ রানিং ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে বন্ধ হয়ে যায়।’ পরিস্থিতি বুঝে নির্মাতারা কাজের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। তাই বিপাশাকেও আগের মতো হয়ে পড়তে হবে। তার অভিনীত ‘পরাণে পরাণ বান্ধিয়া’ ও ‘জেদি মেয়ে’সহ আরও কয়েকটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় আছে। আর কাজ চলমান আছে ‘যার নয়নে যারে ভালো লাগে’, ‘গিভ অ্যান্ড টেক’র।

সবমিলিয়ে বিপাশা বলেন, করোনার মধ্যেও কাজ চালিয়ে গেছি। যে ক’টি ছবি করেছি প্রত্যেকটি নিয়েই আমি বেশ আশাবাদী। একে একে মুক্তি পেলে ভালো কিছুই হবে। সিনেমা হলে ছবি মুক্তি দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে উৎসব বিরাজ করতো সেটা মিস করেন বলেও উল্লেখ করেন এই নায়িকা।

বিপাশা কবির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা তো মূলত হলের শিল্পী। আগের দিনগুলো খুব মিস করি। খারাপ লাগে আসলে। কারণ, হল থেকেই আমার জন্ম। হলেই সবসময় ছবি মুক্তি হয়েছে। ছবি মুক্তি পেলে হলে হলে ঘোরার অভিজ্ঞতা অন্যরকম। দর্শক সাড়া সামসামনি দেখার মধ্যে একটা আনন্দ আছে। ওই অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না। আবার হল চাঙ্গা হোক সেটাই চাই। হল বাঁচলেই আমরা বাঁচবো।’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত