প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনার পানি, তলিয়েছে ৪ হাজার হেক্টর ফসলি জমি

সোহাগ হাসান: [২] সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার সব পয়েন্টেই যমুনার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে জেলার ৪ হাজার ৩৬২ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গন ও পানি বৃদ্ধির ফলে অবনতি হচ্ছে জেলার বন্যার পরিস্থিতি।

[৩] মঙ্গলবার (৩১ আগষ্ট) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর ও কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা নদীর পানি।

[৪] সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান, সিরাজগঞ্জের সব পয়েন্টেই যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। পানি বৃদ্ধি এখনও অব্যাহত রয়েছে। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি বলে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে।

[৫] এদিকে, যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ, করতোয়া, ইছামতি, ফুলজোড়, হুড়াসাগর ও বড়াল নদীর পানিও বাড়ছে। সব নদ-নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ফসলের মাঠগুলো তলিয়ে গেছে। এ সকল এলাকার বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানি উঠে পড়ায় বিপাকে রয়েছেন দুর্গতরা। বন্যা কবলিত এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে রোপা আমন ক্ষেত ও বীজতলা, আখ, পাট, তিল ও সবজি বাগানসহ বিভিন্ন ফসল।

[৬] সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হানিফ জানান, গত কয়েক দিনে যমুনা নদীতে পানি অব্যাহত বাড়ার ফলে নিম্নাঞ্চলের ৪ হাজার ৩৬২ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে রোপা আমন, বোনা আমন, আগাম সবজি, আখ, বীজতলা ও বাদাম রয়েছে।

[৭] সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, বন্যাকালীন দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সাড়ে ৫’শ টন চাল ও নগদ আড়াই লাখ টাকা মজুদ রয়েছে। এছাড়াও উপজেলাগুলোতে মোট ১২৫ টন চাল মজুদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত