প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রবিউল আলম: ‘পরীমনিকে নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছে’ এই অভিযোগের ভিত্তি কতোটুকু?

রবিউল আলম: ‘রঙের দুনিয়া আমি চাই না…’, গানের কথাগুলো বারবার মনে পড়ে। রঙিন না হলে কি আর দুনিয়া চলে! কতো রঙের মানুষ, কতো ধর্মের মানুষ। মানুষে মানুষের জন্য প্রতিপক্ষ। ধর্মকর্মের প্রতিপক্ষ। সবাই তার নিজস্ব মত ও চাহিদা পূরণে ব্যস্ত। নিজের মনের ইচ্ছা পূরণ না হলে কী ভয়ানক রূপ ধারণ করতে পারে, পরীমনির চেয়ে ভালো আর কে বলতে পারেন।
নারীর দেহ উপভোগ্য ও সৃষ্টির তালিকায় রেখে সম্মানের উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, মায়ের জাত বলে। বিধাতার এই বিস্ময়কর সৃষ্টি ছাড়া আমরা এক মিনিট চলার ক্ষমতা রাখি না। কতো রূপের অধিকারী করেছেন নারীকে।

শিশুকালে মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনের আদরের, যৌনজীবন। বৃদ্ধ বয়সটা সন্তান ও নাতিপুতির। নিরবে একজন নারী সবই পূরণ করেন আমাদের চাহিদা। পরীমনির মতো অনেক নারীই জীবনযুদ্ধে পরাজিত হয়ে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। বাধ্য হয়ে অনেক কিছুই করতে। সেখানেও নারীকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, নারী কার কাছে আত্মসমর্পণ করবে। আইন তার জন্য সাজা নির্ধারণ করে দিয়েছে। পরীমনির বেলায় কি তা বাস্তবায়ন হয়েছে?

নাকি প্রতিহিংসা ও অর্থের জাঁতাকলে নিষ্পেষিত হচ্ছেন? পৃথিবী সুন্দরের পূজারী। রাষ্ট্রও সুন্দর, সুন্দরীদের ব্যবহার করে লক্ষ্য অর্জন করেছে, সব বিষয় আলোচনা করা যাবে না রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা জন্য। বিশ্বের অনেক দেশ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয় গোপন কাজের জন্য। পরীমনিকে ও অনেকে ব্যবহার করেছে রাষ্ট্রীয় বাহিনীও বাদ যায়নি। পরীমনির বিচার হওয়া জরুরি, এখানে আমার দ্বিমত নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, আসলেই কি পরীমনির বিচার হচ্ছে, নাকি বাঙালি সংস্কৃতিকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে। বাপের ও বাপ আছে, আইনের ওপরেও আইন আছে। মহামান্য হাইকোর্ট আবার প্রমাণ দিলেন আইনের বাণী নিরবে কাঁদতে পারে না। ১৩ সেপ্টেম্বর পরীমনির শুনানি কেন বাতিল করা হবে না, রুল দেন হাইকোর্ট। সঙ্গে জামিনের আবেদন এগিয়ে দুদিনের মধ্যে তা করতে নির্দেশ দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার পরীমনির জামিনের শুনানি হবে। আশা করি অপরাধ, অপরাধীর বিচার হবে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কেউ আর পরীমনি হইতে চাইবেনব না। পরীমনিরাও প্রতিহিংসার শিকার হবেন না।

লেখক : মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত