প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ধর্মীয় স্থাপনা ও কবরস্থান-শ্মশান তৈরিতে লাগবে অনুমতি, বিধান করে তৈরি হচ্ছে নীতিমালা

মনিরুল ইসলাম: [২] ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধর্মীয় স্থাপনা ও কবরস্থান বা শ্মশান তৈরি করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। এসব স্থাপনা নির্মাণে উদ্যোক্তার আয়ের উৎসও জানাতে হবে। সংসদীয় কমিটির সুপারিশে এমন বিধান করে একটি নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

[৩] রোববার (২৯ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই নীতিমালা তৈরি করতে ৯ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে।

[৪] এতে প্রতিযোগিতামূলকভাবে ধর্মীয় স্থাপনা, কবরস্থান, শ্মশান স্থাপন না করা, এসব স্থাপনা তৈরিতে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমতি গ্রহণ, খাসজমিতে এসব স্থাপনা তৈরি না করা এবং প্রস্তাবিত ইউনিয়ন পরিষদের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় স্থাপনা ও বাড়িঘর নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদকে জানানোসহ বেশ কিছু প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

[৫] সংসদীয় কমিটির আগের বৈঠকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং কবরস্থান, শ্মশান স্থাপনে সরকারের অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়।

[৬] সংসদীয় কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর তৈরি করতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

[৭] কমিটির সভাপতি সাবেকমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে যাতে একটি শৃঙ্খলা আনা যায় তারজন্যই সংসদীয় কমিটি সুপারিশ করে। সেই আলোকেই নীতিমালা হচ্ছে।

[৮] কমিটির সদস্য ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছে। কমিটিকে নীতিমালা চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে। নীতিমালা করার আগে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।

[৯] এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিটি প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে একটি করে কবরস্থান স্থাপনের জন্য নীতিমালা তৈরির সুপারিশ করে।

[১০] কমিটির সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বপন ভট্টাচার্য্য, মসিউর রহমান রাঙ্গা, শাহে আলম, ছানোয়ার হোসেন এবং আব্দুস সালাম মুর্শেদী অংশ নেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত