প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ প্রচারকারী প্রজন্ম শেষ হলে ঐক্য গড়ে ওঠা সম্ভব

গাজী নাসিরউদ্দিন আহমেদ, ফেসবুক থেকে, আওয়ামী লীগবিরোধীরা বলে থাকে, ১৫ই আগস্ট হত্যাকাণ্ডের দায় আওয়ামী লীগারদেরই। কারণ, খন্দকার মোশতাক তো আওয়ামী লীগেরই। সেই কথা মানলে, জিয়া হত্যাকাণ্ডের দায় বিএনপিকেও দেওয়া যায়। বিচারপতি আব্দুস সাত্তার তো বিএনপিই করতেন। তাই না? একুশে আগস্টের ঘটনার সময় ক্ষমতায় বিএনপি-জামায়াত। খন্দকার মোশতাক এবার হাতের কাছে পেল না তারা। কাকে দোষ দেবে? খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতারা বললেন, ভ্যানিটি ব্যাগে করে শেখ হাসিনা গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন মিটিংয়ে। বিএনপি সমর্থক প্রয়াত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তালুকদার মনিরুজ্জামান বলতেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের পথে কাঁটা। শেখ হাসিনার প্রথম সরকার এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করল। সেই সরকারের পরের বিএনপি-জামায়াত সরকার সেই বিচার ঝুলিয়ে দিয়ে কার্যত বন্ধ করে দিল। তো অনৈক্য জিইয়ে রাখল কারা? বিভেদ যাতে আরও প্রকট হয় সে জন্য একুশে আগস্টও তারাই ঘটাল। জাতিকে বিভক্ত করে রাখে কারা? শেখ হাসিনার পরের দফার সরকার ১৫ই আগস্টের বিচার কার্যকর করল। ঐক্য হলো না। যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করতে সর্বস্ব ঢালল বিএনপি-জামায়াত (রায়ের দিনগুলোতে হরতালের বিরোধিতা বিএনপি করেনি)। তাও বিচার কার্যকর হল। ঐক্য হল কোথায়? ঐক্য আসলে হবে না। রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ প্রচারকারী প্রজন্মের শেষ হলে পরেই জনঐক্য গড়ে ওঠা সম্ভব। ততদিন অন্তর্বর্তী রাজনীতিই এই দেশে চলবে বলে মনে হয়। পূর্ণ গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত না হবার দায় ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের কাঁধে পড়বে না। ২১শে আগস্ট এলে বারবার এই কথাটিই আমার মনে হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত