প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পদ্মায় শুরু হয়েছে ভাঙ্গন, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ

মঈন উদ্দীন: [২] পদ্মা নদীর পানি এখন প্রতিদিন গড়ে ১০ সেন্টিমিটার করে পানি বাড়ছে। এতে দেখা দিয়েছে নদীতীর ভাঙন। কোথাও কোথাও তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি। কোথাও কোথাও আবার পুরনো বাঁধের ব্লক নিচে নেমে যাচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে কিছু কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে আতঙ্কগ্রস্থ এ এলাকার পদ্মার তীরবর্তী মানুষ।

[৩] পাউবোর গেজ রিডার এনামুল হক জানান, নগরীর বড়কুঠি পয়েন্টে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন গড়ে ১০ সেন্টিমিটার করে পানি বাড়ছে। সবশেষ বুধবার ভোর ৬টায় এখানে পানির উচ্চতা পাওয়া গেছে ১৭ দশমিক ৭০ মিটার। এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ছিল ১৭ দশমিক ৬১ মিটার। আগের দিন সোমবার দুপুর ১২টায় ছিল ১৭ দশমিক ৫১ মিটার। রাজশাহীতে পদ্মার পানির বিপৎসীমা ১৮ দশমিক ৫০ মিটার। পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে থাকলেও রাজশাহী নগরীর তালাইমারী শহিদ মিনার ও বাজে কাজলা এলাকায় নদীতীরে পানি উঠে গেছে। ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, একটি স্কুলের মাঠে পানি উঠে গেছে। সেখানে তলিয়ে গেছে বেশকিছু ঘরবাড়ি।

[৪] রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে। ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আরমান আলী বলেন, তাঁর এলাকার প্রায় দুই হাজার বাড়িতে পানি ঢুকেছে। তিনি বাসিন্দাদের সহায়তার চেষ্টা করছেন।

[৫] এদিকে রাজশাহী নগরীর ওপারে চর খিদিরপুর এলাকা এখনও ভাঙছে। এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে নিয়ে নৌকায় করে এপারে আসছেন। রাজশাহীর বাঘা এবং গোদাগাড়ী উপজেলায় পদ্মার ওপারের চর ভাঙছে। নতুন করে গোদাগাড়ীর নিমতলা এলাকায় পদ্মার এপার ভাঙছে। এই এলাকাটি আগে কখনও ভাঙেনি। এবার ভাঙন দেখে এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। কয়েকদিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানে আলম এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন।

[৬] পাউবোর রাজশাহীর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রিফাত করিম বলেন, রাজশাহী নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। টি-গ্রোয়েন এবং আই বাঁধ ও কেশবপুর এলাকায় এই কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। তালাইমারী শহিদ মিনারের যে এলাকায় পানি ঢুকেছে সেখানে প্রতিরক্ষামূলক কিছু করার উপায় নেই। পদ্মার ওপারের চর খিদিরপুরেও কিছু করার নেই। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত