প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল: ডাবের পানি কি আসলেই মহৌষধি?

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল: ডাবের পানি স্বাস্থ্যকর পানীয়। তবে আজকাল একে মহৌষধি বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি তাই? একটু মাথা খাটিয়ে বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করলেই যে কেউ বুঝবেন। তার আগে জেনে নেওয়া যাক ডাবের পানিতে কি থাকে? ডাবের পানির মূল উপাদান পানি। এরপর এখানে আছে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। সামান্য পরিমাণে প্রোটিন আর ফ্যাট আছে। ভিটামিন আছে অতি সামান্য। গুরুত্বপূর্ণ যেটি সেটি হলো এই পানিতে আছে মিনারেল বা খনিজ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে পটাশিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। সোডিয়ামও আছে। একশ মিলি ডাবের পানি থেকে ১৯ কিলো ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। ডাবের পানির যা উপাদান তা কলেরা স্যালাইনের কাছাকাছি।

শরীরে পানি ও লবনের শূন্যতা পূরণে তাই ডাবের পানি এক অনন্য দাওয়াই। ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, অতিরিক্ত ঘাম কিংবা অপারেশনের পর শরীরে পানি ও লবনের ঘাটতি পূরণে ডাবের পানি স্যালাইনের বিকল্প হতে পারে। বয়স্কদের শরীরে অনেক সময় লবনের ঘাটতি হয়। তাদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি উপকারী। ডাবের পানিতে খুব সামান্য ফাইবার বা আঁশও আছে অবশ্য। সেটার পরিমাণ একটি শশার থেকে অনেক অনেক কম।

ওপরের ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো মিলিয়ে দেখলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন ডাবের পানি কোন কাজে লাগবে। সাথে এও বুঝতে পারবেন, কিডনি রোগী, যাদের শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকে তাদের জন্য ডাবের পানি সাংঘাতিক ঝুঁকিপূর্ণ। উচ্চ রক্তচাপে বাড়তি লবন বা মিনারেল ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই ডাবের পানি উপকারী তবে নির্বিচারে খাবার মতো কোনো জিনিস নয়। মহৌষধও নয়। ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষতিকরও হতে পারে। আপনার শরীরে লবনের মাত্রা ঠিক থাকলে ডাবের পানি তেমন কিছুই যোগ করতে পারবে না, প্রতিদিনের পানির চাহিদা মেটানো ছাড়া। কিডনি রোগী ও উচ্চরক্তচাপের রোগী ডাবের পানি খেতে খুবই সাবধান। পানি ছাড়া মানুষের চলে না। আবার কিডনি রোগীকে পানি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত পানি বা স্যালাইন জীবননাশও করতে পারে। পানির অপর নাম জীবন। আবার পানিতে ডুবেও মানুষ মারা যায়। পরিমিতি না বুঝলে ওষুধও হয়ে ওঠে বিষ। লেখক : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল: ডাবের পানি স্বাস্থ্যকর পানীয়। তবে আজকাল একে মহৌষধি বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি তাই? একটু মাথা খাটিয়ে বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করলেই যে কেউ বুঝবেন। তার আগে জেনে নেওয়া যাক ডাবের পানিতে কি থাকে? ডাবের পানির মূল উপাদান পানি। এরপর এখানে আছে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। সামান্য পরিমাণে প্রোটিন আর ফ্যাট আছে। ভিটামিন আছে অতি সামান্য। গুরুত্বপূর্ণ যেটি সেটি হলো এই পানিতে আছে মিনারেল বা খনিজ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে পটাশিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। সোডিয়ামও আছে। একশ মিলি ডাবের পানি থেকে ১৯ কিলো ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। ডাবের পানির যা উপাদান তা কলেরা স্যালাইনের কাছাকাছি।

শরীরে পানি ও লবনের শূন্যতা পূরণে তাই ডাবের পানি এক অনন্য দাওয়াই। ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা, অতিরিক্ত ঘাম কিংবা অপারেশনের পর শরীরে পানি ও লবনের ঘাটতি পূরণে ডাবের পানি স্যালাইনের বিকল্প হতে পারে। বয়স্কদের শরীরে অনেক সময় লবনের ঘাটতি হয়। তাদের ক্ষেত্রে ডাবের পানি উপকারী। ডাবের পানিতে খুব সামান্য ফাইবার বা আঁশও আছে অবশ্য। সেটার পরিমাণ একটি শশার থেকে অনেক অনেক কম।

ওপরের ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো মিলিয়ে দেখলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন ডাবের পানি কোন কাজে লাগবে। সাথে এও বুঝতে পারবেন, কিডনি রোগী, যাদের শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকে তাদের জন্য ডাবের পানি সাংঘাতিক ঝুঁকিপূর্ণ। উচ্চ রক্তচাপে বাড়তি লবন বা মিনারেল ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই ডাবের পানি উপকারী তবে নির্বিচারে খাবার মতো কোনো জিনিস নয়। মহৌষধও নয়। ক্ষেত্রবিশেষে ক্ষতিকরও হতে পারে। আপনার শরীরে লবনের মাত্রা ঠিক থাকলে ডাবের পানি তেমন কিছুই যোগ করতে পারবে না, প্রতিদিনের পানির চাহিদা মেটানো ছাড়া। কিডনি রোগী ও উচ্চরক্তচাপের রোগী ডাবের পানি খেতে খুবই সাবধান। পানি ছাড়া মানুষের চলে না। আবার কিডনি রোগীকে পানি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত পানি বা স্যালাইন জীবননাশও করতে পারে। পানির অপর নাম জীবন। আবার পানিতে ডুবেও মানুষ মারা যায়। পরিমিতি না বুঝলে ওষুধও হয়ে ওঠে বিষ। লেখক : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

সর্বাধিক পঠিত