প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রমজানের পর সবচেয়ে উত্তম মহররম মাসের রোজা

ইসলাম ডেস্ক: মহররম মাস সম্মানিত হওয়ার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে আশুরা বা মহররমের দশ তারিখ। পৃথিবীর শুরু থেকে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা এ দিনে সংঘটিত হয়েছে। ফলে ইসলামি শরিয়তে কিছু দিনে যে স্বতন্ত্র আমলের কথা বলা হয়েছে, তন্মধ্যে আশুরা’র দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহুল। ডেইলি বাংলাদেশ

আল্লাহর রাসূল (সা.) এ ক্ষেত্রে একটি সুন্দর মূল নীতি দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) হতে এটি বর্ণিত হয়েছে এবং সহিহ মুসলিমেও রয়েছে এই হাদিসটি। আল্লাহর রাসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘রমজান মাসের পরে সবচেয়ে উত্তম রোজা হলো মহররম মাসের রোজা।’ সে ক্ষেত্রে মহররম মাসে অনেক বেশি রোজা রাখতে পারেন। সেটি কিন্তু শুধু আশুরা নয়। আপনি এক তারিখ থেকে শুরু করে একদম ৩০ তারিখ পর্যন্ত ১০, ১৫, ২০টি, যত খুশি রোজা রাখতে পারেন। এটা হলো সর্বোত্তম। এর পর আশুরাকেন্দ্রিক যে রোজাগুলো, আশুরা মানে দশমী অর্থাৎ মহররম মাসের ১০ তারিখ, সেগুলো রাখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসুল (সা.) অন্য একটি হাদিসে বলেছেন, ‘বিগত এক বছরের গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দেন।’ শুধু একদিন, অর্থাৎ আশুরার দিন, এটি সাব্যস্ত হয়েছে।

ওলামায়ে কেরাম এই ক্ষেত্রে চারটি ধারা বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন সর্বোত্তম হলো নয় এবং দশ। দ্বিতীয় ধাপে বলেছেন ১০ এবং ১১। তৃতীয় ধাপে বলেছেন নয়, ১০, ১১—এই তিনদিন একাধারে এবং চতুর্থ ধাপে বলেছেন সমস্যা থাকলে শুধু ১০ তারিখ রোজা রাখতে। কারণ রাসুল (সা.) নয় এবং ১০ তারিখ রোজা রাখার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন। এজন্য অনেকেই বলছেন যে নয়, ১০ রোজা রাখাই উত্তম। কেউ যদি নয় তারিখ রাখতে ব্যর্থ হন, সে ১০, ১১ রাখবেন বা শুধু ১০ তারিখেও মহররমের রোজা রাখতে পারবেন।

 

সর্বাধিক পঠিত