প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বরাদ্দের ৩ গুণ টিকা প্রত্যাশী, মজুদ শেষ হওয়ায় ২০ জেলায় গণটিকা বন্ধ

শিমুল মাহমুদ: [২] করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে চলা গণ টিকাদান কর্মসূচির তৃতীয় দিনেও মানুষের চাপ বাড়ায় সবাইকে টিকা দেওয়া যায়নি। টিকাকেন্দ্রে আসা মানুষের তুলনায় বরাদ্দ পাওয়া টিকার পরিমাণ কম থাকায় আগ্রহী অনেককে ফিরিয়ে দিচ্ছেন তারা। এছাড়া টিকার ঘাটতি থাকায় বরিশাল, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ ২০ জেলায় বন্ধ রয়েছে গণটিকা কার্যক্রম।

[৩] রাজশাহীতে গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় টিকা নিয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৮২ হাজার জন। রাজশাহী বিভাগের বাকি ৭ জেলায়ও বন্ধ গণটিকা কার্যক্রম। একইভাবে বরিশালের ৬ জেলা ও চট্টগ্রামের ৬ জেলাতেও দেয়া হচ্ছে না গণটিকা। তবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে তৃতীয় দিনের মতো চলছে কার্যক্রম। সিলেট মহানগরের ৮১ কেন্দ্রেও সকাল থেকে ভিড় করেন অনেকে। তবে, গতকাল শুধুমাত্র ২৫ হাজার মানুষকে টিকা দেয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমের আওতায় দু’দিনে সিলেটে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষকে টিকা দেয়া হয়।

[৪] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, ওই দিন সম্প্রসারিত ও নিয়মিত কর্মসূচি মিলিয়ে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। ছয় দিনের এই কর্মসূচির প্রথম দুই দিনে ৩৫ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

[৫] ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের টিকাকেন্দ্রগুলোতে দৈনিক ৩৫০ ডোজ টিকার বরাদ্দ থাকায় টিকা পাননি অনেকেই। এত মানুষ টিকা নিতে আসবেন, সেটি যে ধারণার বাইরে ছিল।

[৬] তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা জেলার অন্য অংশগুলোতে গণটিকাদানের ‘লক্ষ্য অর্জন হয়ে’ যাওয়ায় এ কর্মসূচির আওতায় আর টিকা দেওয়া হচ্ছে না।

[৭] সিলেটের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় অনেক বেশি মানুষ আসছে। কিন্তু আমাদের দৈনিক বরাদ্দ তো নির্ধারিত। আমাদের কাছে অফুরন্ত টিকা নেই যে আমরা যে আসছে তাকেই দিতে পারব। আমরা সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের বুথে ৩০০ করে টিকা দিচ্ছি প্রতিদিন। গতকাল তাই দিয়েছি। কিন্তু আজ সেটা ২০০ তে নামিয়ে এনেছি। এর চেয়ে ৬ থেকে ৭ গুণ মানুষ বেশি আসছে।

[৮] বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়ায় রংপুর সিটি করপোরেশনে এই কর্মসূচি আর চলছে না বলে জানালেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোতাহারুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিভাগে আজকে কোনো টিকাদান চলছে না। ৭ ও ৮ অগাস্ট চলেছে। প্রচুর মানুষ এসেছে টিকা দিতে।

[৯] বান্দরবান জেলার সিভিল সার্জন ডা. অংসুইপ্রু মারমা বলেন, আমাদের দুর্গম এলাকায় রুমা এবং থানচি- যেখানে কাভারেজটা কম হয়েছে, সেখানে আমরা বলেছি আবহাওয়া ভাল থাকলে টিকাদান কর্মসূচি চালাতে। কারণ বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকার মানুষ বাইরে বের হতে পারে না। তারপরও আমাদের কাভারেজটা ভালো।

সর্বাধিক পঠিত