প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনায় আরো ২৬১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮,১৩৬ জন

শাহীন খন্দকার ও মিনহাজুল আবেদীন: [২] কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫১৭তম দিনে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৪১১ জন। এর আগে গতকাল ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়, আর ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩১ হাজার ৭১৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৮ হাজার ১৩৬ জনের মধ্যে এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

[৩] তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৫৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২১ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৮টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৮০ লাখ ৭৫ হাজার ৪০৭টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৯৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৩৮৩ জনসহ মোট ১১ লাখ ৮৮ হাজার ৮২০ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থ্যতার হার ৮৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

[৪] গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১৫২ জন পুরুষ ও ১০৯ জন নারী। তাদের মধ্যে ২৫৭ জনের হাসপাতালে (সরকারিতে ১৮৫ জন, বেসরকারিতে ৭২ জন) ও বাড়িতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসাপাতালে এসেছে একজন। মৃত মোট সংখ্যা ২২ হাজার ৪১১ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৬৭ শতাংশ।

[৫] এ পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৯ হাজার ৩৬৫ জন, যার শতকরা হার ৮৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২হাজার ৩৬৯ জন, যার শতকরা হার ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বাসায় ৬৪৮ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৮৯। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ২৯ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১৩ শতাংশ।

[৬] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৯৭৪ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৬ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং সাত হাজার ৪৩৭ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৬১ জনের মধ্যে এগারো থেকে বিশ বয়সী ১ জন, ২১-৩০ বয়সী আটজন, ত্রিশোর্ধ্ব ১৫ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৮ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৬৪ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৭৬ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪৪ জন, আশি উর্ধ্ব ১৬ জন এবং নব্বই ঊর্ধ্ব নয়জন।

[৭] এছাড়া মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১০১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬২ জন, রাজশাহী বিভাগে আট জন, খুলনা বিভাগে ৪৫ জন, বরিশাল বিভাগে ১২ জন, সিলেট বিভাগে সাত জন, রংপুর বিভাগে ১০ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন। করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখনো পর্যন্ত ২০ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪২ লাখ ৯৪ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৮ কোটি ২০ লাখের বেশি।

[৮] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত