প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দাউদকান্দিতে মসজিদের আঙ্গিনায় টিকটক: মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভ

এইচএম দিদার : [২] মসজিদ মানে আল্লাহর ঘর। এ কথা প্রতিটি মুসলমান নর-নারী শাশ্বতভাবে হৃদয়ের গভীরে সুপ্ত বিশ্বাসী হয়ে ধারনা পোষণ করে। সারা দুনিয়ার মসজিদগুলোর মূল কেন্দ্র বিন্দু হলো মক্কা নগীর “কাবা ঘর”। কাবা ঘরের শাখা প্রশাখা হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠেছে লাখ লাখ মসজিদ। সম্প্রতি দাউদকান্দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নান্দনিক সুন্দর্য্যের অবয়বে নজর কাড়া দৃশ্যের কারুকাজ সম্বলিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ উপহার দিয়েছেন দাউদকান্দিবাসিকে।

[৩] তবে এই মসজিদের বারান্দায় ও আঙ্গিনায় অচেনা এক তরুণ-তরুণী সাথে তাদের আরও সহচর মিলে লাইকিতে একাধিক টিকটক ভিডিও বানিয়ে নেতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়। শুরু হয় সাধারণ মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি। কেউ কেউ বলেছেন অভিনব কায়দায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের শামিল। কারণ কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মসজিদের বারান্দায় এসব নোংরা মানসিকতার পরিচয় দিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরী করতে পারে না।

[৪] বিষয়টি নজরে আসে দাউদকান্দি সার্কেল এর সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মো.জুয়েল রানা’র। তিনিও তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে ঐ তরুণ-তরুণীদের পরিচয় জানতে চেয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

[৫] এ বিষয়ে এএসপি মো.জুয়েল রানা জানান,” টিকটক যারা তৈরী করে তারা মানসিক বিকারগ্রস্ত। তরুণ-তরুণীদের মাঝে এর প্রবণতা জেঁকে বসেছে। সম্প্রতি মসজিদে টিকটক ভিডিও ধারন করা তরুণ -তরুণীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে এবং এদেরকে খোঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। মসজিদের বারান্দায় ও আঙ্গিনায় এ ধরনের ভিডিও ধারন করা ইসলামিক রীতিতে চরম অপরাধমূলক কাজ।

[৬] তিনি আরও বলেন,আমি দেখেছি এ নিয়ে অনেক সাধারণ ধর্ম প্রিয় মানুষেরা ফেসবুকে টিকটকারদের দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষোভ ঝেড়েছে। আমি আশা করি তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় টিকটকারদেরকে খোঁজে বের করতে পারবো।”

সর্বাধিক পঠিত