প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাচান পদ্ধতিতে বাহারি রঙের তরমুজ চাষে সুদিন ফিরছে কৃষকের

সোহাগ হোসেন: [২] মাচান পদ্ধতি এই প্রথম মির্জাগঞ্জে চাষ হচ্ছে রঙ বে- রঙের তরমুজ। গাছে গাছে দুলছে বাহারি রঙের এ তরমুজ। যা দেখা চোখ জুড়িয়ে যায়। গ্রীষ্মকালীন সময়ে

[৩] সর্ব প্রথম এসএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ও আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে বিষমুক্ত বারোমাসি রঙিন তরমুজ আবাদ করে ক্ষুদ্র কৃষকরা সংসারে সুদিন ফিরিয়ে আনছেন। পরিবেশবান্ধব কৌশল অবলম্বন করে বছরব্যাপী তরমুজ আবাদ করছেন। তরমুজ আবাদ করে সংসারে ফিরিয়ে আনছেন আর্থিক সচ্ছলতা।

[৪] সুদিনের দেখা পাচ্ছেন তারা। বিষমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সুনাম কুড়িয়েছেন মির্জাগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা। তাদের উৎপাদিত ফসল দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যে।

[৫] সরেজমিনে দেখা জায় উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের সমীর অধিকারী, মিঠুন দত্ত, ও দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ইউসুফ হাওলাদার ১৫০ শতক জমিতে বারি তরমুজ ১ ও বারি তরমুজ ২ জাতের বারোমাসি তরমুজ ও জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ করেছেন। হলুদ ও লাল রঙের তরমুজ চাষে ব্যাপক সাফল্য লাভ করবেন বলে জানান তারা।

[৬] উপকারভোগী কৃষক সমীর অধিকারীর, মিঠু দত্ত, ও ইউসুফ হাওলাদার বলেন, একমাত্র কৃষি অফিসার আমাদেরকে এই তরমুজ চাষ করতে উৎসাহিত করছে এবং সার্বক্ষনিক আমাদের সহযোগিতা করে আসছেন। তারপর থেকে মাচান পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। এক বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার প্রায় ৪৫-৪৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

[৭] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরাফাত হোসেন বলেন , দুই ধরনের তরমুজ রয়েছে যেমনঃ বারি তরমুজ ১ বারি তরমুজ ২ উৎপাদনে সময় লাগে কম। সে হিসেবে এটি খুবই লাভজনক। বিঘাপ্রতি উৎপাদন খরচ বাদে ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব এ জাতের তরমুজে। প্রতি হেক্টরে ২২-২৩ টন পর্যন্ত উৎপাদন করা সম্ভব। এই দুই জাতের তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। আগামীতে কৃষকদের মধ্যে এ জাতের তরমুজ আরো বেশি জনপ্রিয়তা পাবে। এভাবে তরমুজ চাষের মাধ্যমে তারা যাতে বাড়তি আয় করে সংসারে সুদিন ফেরাতে পারেন সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ এবং সব ধরনের কারিগরি সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত