প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অটোমেশনে পিছিয়ে এশিয়ার পোশাক শিল্প: আইএলও

লিহান লিমা: [২] অন্যান্য উৎপাদন খাতের তুলনায় এশিয়ার পোশাক শিল্প অটোমেশন (পণ্য উৎপাদনে বিভিন্ন পর্যায়ের স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা) প্রযুক্তিতে পিছিয়ে রয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। ফাইবারটুফ্যাশন

[৩] অটোমেশনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনামের মতো বৃহত্তর পোশাক উৎপাদনকারী দেশগুলোতে অপেক্ষাকৃত কম মজুরি নিয়ে কাজ করানো হয়।

[৪] শ্রমিকের পরিবর্তে পোশাক খাতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার মজুরি হার, নতুন প্রযুক্তি, উপলব্ধ মূলধন, শ্রমিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং ক্রমবর্ধমান ভোক্তা চাহিদার ওপর নির্ভর করে।

[৫] তবে চীন একমাত্র ব্যতিক্রম হিসেবে পোশাক শিল্পে অটোমেশন প্রযুক্তিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে এবং একই সঙ্গে ২০০৫ সালে মাল্টি ফাইবার ব্যবস্থা শেষ হওয়ার পর উচ্চ মূল্য সংযোজন পণ্যের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

[৬] পোশাকখাতে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনের প্রক্রিয়া সহজ নয়। সেলাইয়ে কাপড়ের মাপ, আকৃতি এবং ডিজাইন ঠিকঠাক রাখতে সিস্টেমের পূর্ণাঙ্গ কার্যকারীতা প্রয়োজন। ক্যামেরা, ম্যাপিং প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমতা এবং অ্যালগরিদমের পাশাপাশি ভ্যাকুয়াম, রোবোটিক হ্যান্ড এবং রোলার ব্যবহার করে কেবলমাত্র উন্নত সেলবটই এগুলো কাটিয়ে উঠতে পারে। অটোমেশন সিস্টেমগুলো ব্যয়বহুল এবং এটি নেয়ার আগে এটি পরিচালনার মতো দক্ষ জনবলও প্রয়োজন।

[৭] সেলাইয়ের মতো মূল প্রক্রিয়াগুলো পোশাক খাতে বর্তমানে শ্রমিক দিয়ে করানো প্রাধান্য পেলেও কাটিং, ফিটিং এবং অন্যান্য সহায়তামূলক বিষয়গুলোতে স্বয়ংক্রিয়করণে অগ্রগতি হয়েছে।

[৮] আইএলও বলেছে, মহামারী পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ব্যবস্থাপনা এই খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারকে বাড়িয়ে তুলবে। কিন্তু এটি কোন গতিতে হবে তা এখনো অস্পষ্ট।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত