শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০২১, ০৬:১৫ বিকাল
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২১, ০৬:১৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টাকা দিয়ে সেবা না পাওয়ার বিষয়টির দেখার দায়িত্ব রেগুলেটরের

গাজি নাসির উদ্দীন, ফেসবুক থেকে, আমি সবসময়ই ভেবেছি রিসিভিং এন্ড থেকে পৃথিবীটা আরেক রকম লাগে। জগত তখন সাব্জেক্টিভ। এই মহামারীকে গত দেড় বছর এক রকম দেখলাম। এই এক সপ্তাহ আরেক রকম দেখলাম। আজ বাবাকে হসপিটালাইজড করার পর থেকে দেখাটায় আরেকটি মাত্রা যুক্ত হল। রিসিভিং এন্ড থেকে অনেক ক্ষুদ্র জিনিসও অনেক বড় হয়ে ধরা দেয়। আব্বু ডায়াবেটিসের রোগী। সন্ধ্যায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হসপিটালে। বহু দেনদরবার করে কয়েক ঘন্টাব্যাপী ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে আমার ভাই মইন রাত দেড়টায় বাড়ি ফিরে জানলো আব্বুকে খাবার দেওয়া হয়নি। এক ঘন্টা ধরে চেষ্টা তদবিরের পর খাওয়ার একটা ব্যবস্থা হল। চট্টগ্রামের বলতে গেলে সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ হসপিটাল এরা। ব্যাখ্যায় জানাল, ফর্মালিটিজ শেষ হতে দেরি হওয়ায় খাবারের ব্যবস্থা করতে দেরি হয়েছে। একজন পেশেন্ট তাদের ইমার্জেন্সিতে আছে। তারা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। তার ডায়াবেটিস যে আছে তার হিস্ট্রিও তো তার সঙ্গের ফাইলে আছে। তারপরও এই কথার মানে, সেবাদানে অপেশাদারিত্ব। আমাদের মত মধ্যবিত্ত এইসব হসপিটাল এফোর্ড করতে পারার কথা না। তবুও নিজের, পরিবারের সবাই যেন এভেইলেবল বেস্ট ট্রিটমেন্টটা পায় তার জন্য আমি ওভার দ্যা টপ যাই। চিকিৎসা পাওয়া সংবিধান সম্মত অধিকার। সংবিধানে এই অধিকার এনশ্রাইনড। এখন আমার চয়েস প্রাইভেট হসপিটালে চিকিৎসা নেব। আমার কষ্টার্জিত টাকায় কিন্তু আমি সেবাটা কিনছি। কিন্তু প্রাইভেট সেক্টর যদি ভ্যালু ফর মানি দিতে ব্যর্থ হয় তার দায় কার? তার দায়ও রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রের বিধিবদ্ধ আইনের সীমানায়ই বেসরকারি খাত চলে। তার জন্য রেগুলেশন আছে। এই হসপিটালগুলিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আমি যেই টাকা দিচ্ছি সেইটুক সেবা পাচ্ছি কি না তা দেখার দায়িত্ব রেগুলেটরের।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়