প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা ও উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় ১১০ জনের মৃত্যু

হ্যাপি আক্তার: [২] মহামারি করোনার ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সারা পৃথিবী। করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের কাছে বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোও ধরাশায়ী। পৃথিবীজুড়ে টিকা কার্যক্রম চললেও থামছে না সংক্রমণের গতি। এ অবস্থায় দেশেও দিন দিন করোনয় মৃত্যু ও শংক্রমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

[৩] গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহে ১২, জামালপুরের ৩, নেত্রকোণার ২, শেরপুরের ১, পটুয়াখালীর ৫, পিরোজপুরের ২, বরগুনার ১, রাজশাহীর ৬, নাটোর ৩ নওগাঁর ৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১, কুমিল্লার ১৪,  চট্টগ্রামের ৯, ফরিদপুরে ১৪, খুলনায় ৮ জন, কুষ্টিয়ায় ৯, সাতক্ষীরায় ৪, রাজশাহীতে ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১, নাটোরে ৩, নওগাঁয় ৩ জনের মৃত্যুর খরব পাওয়া গেছে।

ময়মনসিংহ বিভাগ:  বিভাগে ১৮জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ময়মনসিংহের ১২, জামালপুরের ৩, নেত্রকোণার ২, শেরপুরের ১। এর মধ্যে ৮ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন।

বরিশাল বিভাগ: এ  বিভাগে মারা গেছেন ১৬ জন। এরমধ্যে পটুয়াখালীর ৫, পিরোজপুরের ২ ও বরগুনার ১ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। বাকি ৮ জন মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে।

চট্টগ্রাম বিভাগ:  চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় ২৩ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে কুমিল্লার ১৪ ও চট্টগ্রামের ৯ জন ছিলেন। এদিকে, করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুরে ১৪, খুলনায় ৮ জন, কুষ্টিয়ায় ৯ জন ও সাতক্ষীরায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে নতুন আরো ১ হাজার ৪৬৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত এক দিনে সর্বোচ্চ।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ২৯ জুলাই সর্বোচ্চ এক হাজার ৩১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিলো।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামের ১১টি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে তিন হাজার ৯২৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক হাজার ৪৬৬ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই এক হাজার ৮৫ জন। বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

রাজশাহী বিভাগ: করোনাভাইরাস ও করোনা উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে সাতজন ও করোনা উপসর্গে ছয়জন মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকাল ৮টার মধ্যে বিভিন্ন সময়ে মারা গেছেন তারা। এরআগের ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ফলে একদিনের ব্যবধানে আবার মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মৃতদের মধ্যে রাজশাহী জেলার ছয়জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোরের তিনজন ও নওগাঁর তিনজন ছিলেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাজশাহীর চারজন, নাটোরের একজন ও নওগাঁর দুইজন। আর করোনা উপসর্গে মারা গেছেন রাজশাহীর দুইজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন, নাটোরের দুইজন ও নওগাঁর একজন।’

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন,  দুই ল্যাবে মোট ৬৫১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১৩৮ জনের করোনা পজিটিভ ফল আসে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

যুমনা-সময় টিভি, ডিবিসি নিউজ

 

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত