প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাজারে অতিরিক্ত অর্থ, সঞ্চয়ে সুদ হ্রাস ও সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি করে মূদ্রানীতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] তবে আশংকা করেছে এটি বাস্তবায়ণ না হলে দেশে মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির।

[৩] চলতি বছরের মূদ্রানীতিতে (২০২০-২১) বেসরকারি খাতে ঋণের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৪.৮ শতাংশ। সরকারি ঋণের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪৪.৪ শতাংশ। এরজন্য বলা হয়েছে সরকারের বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ণ ও অন্যান্য উৎস্য থেকে ঋণ সীমাবদ্ধ থাকায় সরকার ব্যাংক ঋণ বেশি নিচ্ছে।

[৪] আর ব্যাংকে অর্থ বৃদ্ধির জন্য রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদ কমিয়েছে। রেপো সুদ ৫.২৫ থেকে কমিয়ে ৪.৭৫। রিভার্স রেপোর সুদ ৪.৭৫ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যংাকের সঞ্চয়ের সুদ ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়েছে।

[৫] গত ২০১৯-২০ সালের মূদ্রানীতির বিষয়ে বলা হয়, করোনার কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বেসরকারিখাতে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। লক্ষ্যছিল ১৪.৮শতাংশ কিন্তু ব্যাংকগুলো দিতে পেরেছে ৮.৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ নীতি নেয়ায় এটি সম্ভব হয়নি।

[৬] চলতি বছরের মূদ্রানীতি বাস্তবাণ হবে না বলেও আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোবিডে আভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় অর্থনীতিই ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত বলা হয়, সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ যদি কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি না করে, তৃতীয়ত মন্দ ঋণ ও মূল্যস্ফীতি মূদ্রানীতি বাস্তবায়ণে সমস্যা করতে পারে।

[৭] গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ঝুঁকি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সচেষ্ট থাকবে। তারজন্য গণ মাধ্যমে মূদ্রানীতির ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরার অনুরোধ করেন।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত