প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার বিকল্প বুয়েটে উদ্ভাবিত অক্সিজেট, সীমিত ব্যবহারের অনুমোদন দিলো ঔষধ প্রশাসন

সালেহ বিপ্লব: [২] তৃতীয় ট্রায়াল সফল হওয়ায় এই ডিভাইসটি ২০০ ইউনিট উৎপাদনের অনুমোদন পেলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। কার্যকারিতা সন্তোষজনক হলে বেশি পরিমাণে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।  অক্সিজেট বিদ্যুৎ ছাড়াই চলে, সাধারণ বেডে রেখে দেওয়া যায়। ডিভাইসটি ঠিকঠাকমতো কাজ করলে আইসিইউ বেডের চাহিদা অনেক কমে আসবে।  খরচও অনেক কমবে।

[৩]  একটি অক্সিজেট ডিভাইস স্থাপন করতে খরচ হবে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। বর্তমানে একটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার জন্য ব্যয় হয়  দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। আর কম ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর জন্য যে ক্যানুলা লাগে, তার দাম কমবেশি ৬০ হাজার টাকা।

[৪] অক্সিজেট চালাতে বিদ্যুৎ লাগে না,  হাসপাতালের সাধারণ বেডে রেখেই রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া যায়।  যন্ত্রটি মিনিটে ৬০-৬৫ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে  পারে।

[৫] বুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর তওফিক হাসান জানিয়েয়েছেন এই তথ্যগুলো।  তার নেতৃত্বেই  একদল শিক্ষার্থী এই ডিভাইসটি তৈরি করেছেন, সময় লেগেছে এক বছরের কিছু বেশি।  কোভিড আক্রান্তদের  অক্সিজেনের উচ্চ চাহিদা পূরণ করার লক্ষ্যে তারা সি-প্যাপ (Continuous positive airway pressure) ভেন্টিলেটর ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছেন।

[৬]  ডক্টর তওফিক হাসান জানান,  গত মে মাসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডিএমসিএইচ) অক্সিজেটের তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়।  বুয়েট জানিয়েছিলো , তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে সাফল্য পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন চাওয়া হবে। অনুমোদন পেলে  চিকিৎসকের পরামর্শ মতো এই যন্ত্রটি হাই-ফ্লো  ন্যাসাল ক্যানুলোর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

[৭] ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের  উপ পরিচালক মো. সালাউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, উৎপাদন ও ব্যবহারের জন্য এটা সীমিত অনুমোদন। এগুলো ব্যবহারের পর দেখতে হবে, যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কিনা এবং ডিভাইসটি আরও উন্নত করা যায় কিনা। এগুলো দেখে উৎপাদনের পরিমাণ পরে আরও বাড়ানো হবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত