প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চট্টগ্রামে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২১৮ মামলা এবং অর্থদণ্ড

রাজু চৌধুরী: [২] কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

[৩] সোমবার (২৬ জুলাই) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামে ১৮ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বিআরটিএ, চট্টগ্রাম এর ২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোট ২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

[৪] এ সময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা, অপ্রয়োজনে রাস্তায় ঘুরাফেরা করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ী রাস্তায় বের হওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ২১৮টি মামলায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৮’শ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মনিটরিং কার্যক্রমে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যগণ সার্বিক সহযোগিতা করেন।

[৫] নগরীর বন্দর, পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন, তিনি ২৮টি মামলায় মোট ৭২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ৫টি মামলায় ১৬,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। পাশাপাশি আকবরশাহ, বায়েজিদ, হালিশহর ও পাহাড়তলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী, এ সময় ১৭টি মামলায় মোট ৯৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। খুলশী, চাঁদগাও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন, ১৬টি মামলায় ২২৭৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ানু চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় ১২টি মামলায় ৩১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। চান্দ চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও খুলশী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস এ সময় ২২টি মামলায় ১৪৩৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৬] অন্যদিকে নতুনব্রীজ, মইজ্জারটেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বিআরটিএ এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার দাশ, তিনি ১৯টি মামলায় ৪৬০০টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। বাকলিয়া, চকবাজার, চাঁদগাও ও পাঁচলাইশ, হালিশহর, পাহাড়তলি, লালখান বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। তিনি ১৯টি মামলায় ৪৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৭] করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বাধিক পঠিত