প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নীলফামারীর ডোমারে পানি সংকটে রোপা আপন নিয়ে দুঃচিন্তায় কৃষক

রতন কুমার: [২] অনাবৃষ্টি ও পানি স্বল্পতায় চলতি রোপা আমন চাষে দুঃচিন্তায় রয়েছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কৃষকগণ। সাধারনত বাংলা সনের মধ্য আষাঢ় ও শ্রাবণের মাঝামাঝি জমিতে আমন রোপা লাগানো হয়। প্রাকৃতিকভাবে আষাঢ়ের শুরুতেই ভারী বর্ষণে খাল বিল, নদী নালা বৃষ্টির পানিতেই থাকে টই টম্পুর।

[৩] চাষাবাদের জমিতে কৃষকরা তাদের ইচ্ছেমতো বর্ষা মৌসুমের চাষাবাদ করতো। ইহা ছিলো বর্ষা মৌসুমের চিরাচরিত নিয়ম। কিন্তু এবারে বর্ষা মৌসুমে প্রকৃতির বৈরীতায় কৃষকগণ হয়েছে দিশেহারা। জমিতে পানি নেই, রোপা লাগানো যাচ্ছে না। পাট কেটে জাগ দেওয়ার মতো খালে পানি নেই। সামান্য বৃষ্টির পানিতে সমতল এলাকায় রোপা লাগানো হলেও বর্তমানে রোপাক্ষেত শুকিয়ে গেছে। উচুঁ এলাকায় এখনো রোপা লাগানো সম্ভব হয়নি। পানি না থাকার কারনে, ক্ষেতেই শুকিয়ে যাচ্ছে পাট। কিছু এলাকায় রোপা ক্ষেত বাচাঁতে সেচপাম্প দিয়ে পানি দেওয়া হচ্ছে।

[৪] উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক মনোরঞ্জন রায় জানান, স্বল্প পানিতে রোপা আমন ধান লাগিয়েছি। কিছুদিনের মধ্যে ক্ষেতের পানি শুকিয়ে গেছে, তাই ক্ষেত বাচাঁতে এখন সেচপাম্প দিয়ে পানি দিচ্ছি।

[৫] বেতগাড়া এলাকার আদর্শ কৃষক রবিউল আলম ভুট্টো জানান, জমিতে পানি না থাকায় এখনো ৫ বিঘা জমিতে রোপা লাগানো সম্ভব হয়নি। অন্যের সেচ পাম্পের পানি প্রতি ঘন্টায় একশত টাকা দিয়ে ক্রয় করে আমন ধান উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। কারন উৎপাদনের চেয়ে দ্বিগুন খরচ হবে। অপরদিকে পানির অভাবে দেড় বিঘা জমির পাট, ক্ষেতেই জমিতেই শুকিয়ে যাচ্ছে।

[৬] উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আনিছুজ্জামান বলেন, এবারে ১৮ হাজার ৮শত ৩০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হবে। পানির অভাবে যে সব এলাকায় রোপা লাগানো সম্ভব হয়নি, সেইসব এলাকার কৃষকদের সেচ ব্যবস্থায় রোপা লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এবং খালে পানি ভরাট করে পাট জাগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত