প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আগামীতে ছোট গরু উৎপাদনে উৎসাহিত করা হবে: মহাপরিচালক

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান বলেন, এ বছর অনেক বড় গরু অবিক্রিত থাকার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার ডিবিসি টেলিভিশনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, আগামীতে বড় গরু উৎপাদনে নিরুৎসাহিত করা হবে।

[৩] চলতি বছর কোরবানিযোগ্য ২৮ লাখ ২৩ হাজার ৫২৩টি পশু অবিক্রীত থেকে গেছে। এতে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি-ব্যাপারীরা। করোনায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

[৪] প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫টি। তার মধ্যে কোরবানি হয়েছে মোট ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি পশু।
[৫] অধিদপ্তরের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, ৫ বছরের মধ্যে সর্বনি¤œ পশু কোরবানি হয়েছে এই ঈদুল আজহায়। করোনা সংক্রমণের আগে প্রতিবছর পশু কোরবানির পরিমাণ বাড়ছিল। সংক্রমণের পর থেকে তা ক্রমাগত কমছে।

[৬] তথ্যমতে, ২০১৬ সালে ৯৮ লাখ ১৩ হাজার পশু কোরবানি হয়। তারপর থেকে ক্রমাগত বেড়ে ২০১৭ সালে ১ কোটি ৪ লাখ, ২০১৮ সালে ১ কোটি ৬ লাখ, ২০১৯ সালে ১ কোটি ৬ লাখ ১৪ হাজার পশু কোরবানি হয়। ২০২০ সালের মার্চ থেকে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে ওই বছর কোরবানি কমে হয় ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ২৬৩টি। চলতি বছর আরও কমে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি পশু কোরবানি হলো।

[৭] প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, করোনা ও লকডাউনে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। তাই কোরবানির সংখ্যাও কমেছে। তা ছাড়া ঢাকায় যেসব গরু অবিক্রীত থেকেছে, তার বেশির ভাগই বড় গরু। যেগুলোর ক্রয়ক্ষমতা অনেকের নেই। প্রথম আলো।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত