প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এএসপি যখন ঈদের জামাতের খতিব

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: [২] চট্টগ্রামের রাউজানে ঈদের জামাতের মুসল্লিদেরকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি নিজেকে এবং পাড়াপড়শিদেরকে নিরাপদ রাখার আবশ্যকতা সংক্রান্ত ধর্মীয় বয়ান রেখেছেন চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার-এএসপি ( রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম। আজ (২১ জুলাই) সকাল হতে উপজেলার বিভিন্ন ঈদগাহে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কার্যক্রমে অংশ নেন।

[৩] খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৭টা থেকে শুরু করে ৯ টা পর্যন্ত মোট ১৪৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদগাহ সমূহে সরকারি বিধিবিধান প্রতিপালন নিশ্চিতে দৃশ্যমান ভূমিকায় ছিল পুলিশ প্রশাসন। এ লক্ষ্যে আগের শুক্রবারই পুলিশ কর্মকর্তারা উপজেলার মসজিদে মসজিদে গিয়ে করোনাকালীন ঈদের জামাতে করনীয় বর্জনীয় বিষয়াদি সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদের দিন সকাল থেকেই এএসপি বিভিন্ন ঈদগাহে উপস্থিত হয়ে মুসল্লিদেরকে সচেতন করেন।

[৪] করোনার ঝুঁকি ন্যুনতম রেখে ঈদ আয়োজন নিশ্চিত করতে এএসপির এই অভিনব পদক্ষেপ প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয়দেরও। রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন, ঈদগাহে ঈদগাহে এএসপি মহোদয়ের উপস্থিতি এবং সচেতনতামূলক বক্তব্যদান অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল। গ্রামের মানুষ এমনিতেই স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বেশিকিছু জানেন না। তবে তার অনুরোধে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানায় মনযোগী ছিল। অনেক কষ্ট স্বীকার করে ঈদের দিনে এমন সুন্দর একটি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এএসপি মহোদয়কে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

[৫] এ প্রসঙ্গে এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, ঈদের জামাতে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে আমরা গত বেশকয়েক দিন ধরেই ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি। আজকের কার্যক্রম এরই অংশবিশেষ। আমাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

[৬] উল্লেখ্য, এ বছর করোনা ভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই দেশব্যাপী উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আনুষ্ঠানিকতা যেন করোনার সংক্রমণ বাড়িয়ে না দেয়, সেজন্য সরকার থেকে হ্যান্ডশেক-কোলাকুলি না করা, মাস্ক পরিধান করা, একটি কাতার ফাঁকা রেখে দাড়ানো, ইত্যাদি সুস্পষ্ট বিধিনিষেধ জারি করা হয়। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত