প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এফডিসিতে কোরবানি দেওয়া

ইমরুল শাহেদ: কোরবানির পশু এফডিসির ভিতরে প্রবেশ এবং কোরবানি না করার আদেশ জারি করেছে এফডিসি কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে চিত্রকর্মীদের মধ্যে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়েছে। ভীত হয়ে পড়েছেন এফডিসির নিরাপত্তাকর্মীরাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিরাপত্তাকর্মী বলেন, ‘চিত্রকর্মীদের সঙ্গে মতান্তরে যেতে চাই না আমরা।

তারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটা সমঝোতায় গেলে ভালো হয়।’ এ ব্যাপারে পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন সুমন বলেন, ‘এটা তো ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়। এখানে যে কোরবানিটা দেওয়া হয় তার মাংস চিত্রকর্মীদের মধ্যেই বিতরণ করা হয়। অতীতে কখনো এ ধরনের কোনো বাধা আসেনি। এবার কেন হলো বুঝতে পারছি না। আদেশটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা আবেদন করব।’

কিন্তু এফডিসি কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে অনেকে অনুমান করছেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে করোনা মহামারিতে এফডিসি চত্বরে অনেক লোক জমায়েত হতে পারে। তাতে স্বাস্থ্যবিধি ভেঙ্গে পড়তে পারে। একইসঙ্গে এফডিসি কেপিআই এরিয়াভুক্ত। প্রকৃতিগতভাবে কেপিআই এরিয়াতে গণজমায়েত এমনিতেই হতে পারে না। এ বছর এফডিসিতে ১৪টি গরু কোরবানি দেওয়ার কথা রয়েছে।

এর মধ্যে ছয়টি গরু দেবেন শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান, শিল্পী সমিতি থেকে দু’টি এবং নায়িকা পরী মনি ছয়টি। তবে পরী মনির কোরবানি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সবার মধ্যে। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি যে গাড়িটিতে চড়েন সেটি ব্যাংক ঋণে কেনা। সে ঋণ পুরোপুরি শোধ হয়েছে কিনা সেটা তিনি জানাননি। ধর্মীয়ভাবে ঋণ রেখে কোরবানি হয় না। শুধু গরু জবাই করে মাংস খাওয়া হয়। এই ব্যাপারে পরী মনি কি ব্যাখ্যা দিবেন, সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে সহকর্মীদের জন্য তার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত