প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোরবানি কেন্দ্রিক অর্থনীতি : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

কামরুজ্জামান কামরুন : কোরবানির গরু নিয়ে যাচ্ছেন আর বাঙালি জিজ্ঞেস করবে না, গরু কতো, তা হতেই পারে না! দাম দিয়ে গরু কিনেছেন, খামারি ভালো দাম পেলো। এই দাম শুধু খামারী বা গৃহস্থের ঘরেই যায় না, অর্থনীতিতে সঁষঃরঢ়ষব বভভবপঃং তৈরি করে। এদেশে শুধু গরু অর্থনীতির সাইজ এক লাখ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকার। দেশে কোরবানির জন্য গরু প্রস্তুত প্রায় ৪৫ লাখ, আর ছাগল ভেড়া প্রস্তুত তার প্রায় পৌনে দুই গুণ, আছে কিছু উট-দুম্বাও। শুধু গরু, ছাগল, ভেড়া আর দুম্বায় শেষ নয়, গরুর হাট, পরিবহন, গো-খাদ্য, দা, ছুরি, কসাই, চাটি দালাল ফরিয়া থেকে কার না কিছু রোজগার হয়? মসলার বাজার আর আনলাম না এখানে। এ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে সবখানে।
গরু কি শুধু কোরবানিতেই লাগে? মোটেই না। গরুর অর্থনীতি কতোটা বড়, সেটা হয়তো আমরা আগে সেভাবে ভেবে দেখিনি। রাতে একগ্ল¬াস

গরুর খাটি দুধ পান করা, মেজবান, মেহমানদারিতে আর কোরবানির ঈদ কিংবা রেস্টুরেন্টে গরুর মাংস খাওয়া, চামড়ার জুতা-স্যান্ডেল কেনা, বাগানে, জমিতে গাছের পুষ্টির জন্য কিছু গোবর সংগ্রহ করা এতোটুকুর মধ্যেই আমাদের গরু অর্থনীতির চর্চা সীমাবদ্ধ। কিন্তু এ অর্থনীতির পরিধি যে কতো বৃহৎ হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা অনেকেই জানি না। এটা নিয়েও আজ আলোচনা করবো।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চলতি বছরের কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর তথ্য বিশ্নেষণে দেখা যায়, কোরবানির ঈদের জন্য ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩ পশু প্রস্তুত আছে। এর মধ্যে গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩ এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭২ লাখ। সরকারি ৮টি খামারে উট-দুম্বাসহ কোরবানির প্রাণি আছে আরও ৭ হাজার। গত বছর কোরবানিতে জবাই হয়েছিল ১ কোটি ১৫ লাখ পশু। এর মধ্যে ছাগল-ভেড়া ছিল ৭১ লাখ। গরু ৪৪ লাখ। ভারত থেকে এবার গরু আসবে না আশা করি। তার মানে বলা যায় যোগানের চেয়ে বেশি আছে দেশী গরু। কিন্তু হঠাৎ করে এতো দেশী গরু কীভাবে এলো?

চাহিদা থাকলে বাজার সৃষ্টি হবে, আর বাজার সৃষ্টি হলে যোগান বাড়বে- এটাই অর্থনীতির সহজ সমীকরণ। ধীরে ধীরে হলেও বাংলাদেশে কোরবানির পশুর বাজারটা বড় হয়েছে। কয়েক বছর আগেও চাহিদার বিরাট অংশ পূরণ হতো প্রতিবেশী দেশের গরুর যোগান থেকে। অথচ ১৮ কোটি মানুষের দেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিজেদের চাহিদা নিজেদের পূরণ করার কথা ছিলো অনেক আগে থেকেই। দেরিতে হলেও কাজটা শুরু হয়েছে, তার ফলাফল আজ আমরা পেতে চলেছি। এটা শুভ লক্ষণ।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গরু উৎপাদন হয় ব্রাজিলে, প্রায় ২১ কোটি। ২ কোটি ৪০ লাখ গরু নিয়ে বাংলাদেশ এই তালিকার ১২তম। নিউজিল্যান্ডের গরুর সংখ্যা ১ কোটি, যা সে দেশের জনসংখ্যার চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি, তাদের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য বিশ্বের সেরা। অর্থনীতিতেvalue addition এ তারা অগ্রগামী।

জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ফাও(Food and Agriculture Organization) এর মানদন্ড হিসেবে জনপ্রতি দৈনিক ২৫০ মিলিলিটার বা একগ্লাস দুধ পান করা প্রয়োজন। এ মানদন্ড হিসাবে, ১৮ কোটি মানুষের জন্য দৈনিক প্রয়োজন ৪.৫ কোটি লিটার আর বাৎসরিক প্রায় ১৬.৪২ বিলিয়ন লিটার দুধ প্রয়োজন। লিটার প্রতি মূল্য ৫০ টাকা ধরা হলেও বাংলাদেশে দুধের বাজার প্রায় ৮১ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু মাথাপিছু দৈনিক ১০০ মিলিলিটার দুধের ঘাটতি থাকায় আমাদের বিদেশ থেকে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার গুড়া দুধ আমদানি করতে হয়। কিন্তু আমদানির পরও প্রায় ৩০ শতাংশের বিশাল ঘাটতি থেকেই যায়, যার অর্থনৈতিক মূল্য প্রায় ২৩ হাজার ২০০ কোটি বা ২৩২ বিলিয়ন টাকা। এ ঘাটতি মেটাতে দৈনিক ২০০ লিটার দুধ উৎপাদনকারী ন্যূনতম ৬৫,০০০ নতুন খামার প্রতিষ্ঠা করা দরকার। এতে খামারপ্রতি ৩ জনের কর্মসংস্থান হলে প্রায় ২ লাখ যুবক বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাবে। গরু অর্থনীতিতে মাথাপিছু দুধের ঘাটতি মেটাতেই নতুন ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আর মাখন, ঘি, আইসক্রিম, দই, মিষ্টি উৎপাদনে অতিরিক্ত দুধ, গরুর খামার, কর্মী হিসেবে আনলে সংখ্যাটা দ্বিগুন-তিনগুন হয়ে যেতে পারে।

মজার বিষয় হলো, আমাদের খামারিরা ভালো দাম পায় না দুধের, অনেক সময় দুধ রাস্তায় ফেলে প্রতিবাদ করে। দুগ্ধজাত সামগ্রী প্রস্তুত করে যদি দুধের বহুবিদ ব্যাবহার করা যেত, আহা গরু মালিকের হয়ে যেতো পোয়াবারো আর কর্মসংস্থান হতো ব্যাপক। নিউজিল্যান্ড দুধ থেকে প্রায় একশ প্রকার দুগ্ধজাত পুষ্টিকর পণ্য তৈরি করে, তাই তো তাদের খেলোয়াড়রা বড় বড় ছক্কা মারতে পারেন! আমাদের খেলোয়াড়দের পুষ্টি কে দেখবে?
দুধের পর এবার মাংসে আসা যাক। মাছে-ভাতে বাঙালি প্রাণিজ আমিষের বড় অংশ মাছ দিয়েই পূরণ করে থাকে। এরপরের তালিকায় আছে মুরগি-হাঁস। এদেশে অনুষ্ঠান, দাওয়াত, ঈদ বা রেস্টুরেন্ট ছাড়া সাধারণত দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় গরু বা খাসির মাংস থাকে না। ‘ফাও’-এর ২০০৯ সালের পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশে জনপ্রতি বাৎসরিক মাংস গ্রহণের পরিমাণ ছিল মাত্র চার কেজি, যা বিশ্বে সবচেয়ে কম। এমনকি বিশাল নিরামিষভোজী জনগোষ্ঠীর ভারতের অবস্থানও বাংলাদেশের ওপরে ছিলো। আর সবচেয়ে বেশি মাংস গ্রহণকারী দেশ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র, জনপ্রতি বাৎসরিক ১২০ কেজি।

বাংলাদেশ প্রাণিজ সম্পদ অধিদপ্তরের একটি প্রেজেন্টেশন থেকে জানা যায়, ২০১৫-১৬ সালে দেশে ২ কোটি ৩৭ লাখ বিভিন্ন জাতের গাভী ও ষাঁড় ছিলো। মজার ব্যাপার হলো, ২০১১-১২ সাল থেকেই সংখ্যাটা প্রায় একই রকম। তার মানে হলো, আমাদের গরুর সংখ্যা বাড়ছিলো না। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি এসিআইয়ের ‘বায়োলাইফ’ নিউজলেটারের আগস্ট, ২০১৫ সালের সংখ্যা থেকে জানা যায়, সে সময়ে বাংলাদেশে মাংসের চাহিদা ছিলো বাৎসরিক ৬৭.৩ লাখ টন। বাৎসরিক মাংস চাহিদার ২৫ শতাংশও যদি গরু দিয়ে পূরণ করা হয়, তবে কেজি প্রতি গড়ে ৩০০ টাকা হিসাবে ১৬ লাখ টন গরুর মাংসের দেশীয় বাজার প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সে সময়ে চাহিদার এর বিপরীতে উৎপাদন ছিলো ৪৫.২ লাখ টন, অর্থাৎ ঘাটতি ৩৩ শতাংশ। সে সময়ের হিসাবে ২২ লাখ টন মাংস ঘাটতির ২৫ শতাংশও যদি গরুর মাংস দিয়ে পূরণ করতে হয়, তবে গড়ে প্রতিটি ৩০০ কেজি ওজনের ১৮ লাখ অতিরিক্ত গরু প্রয়োজন। প্রতিটি গরুর গড় মূল্য ৩৫,০০০ টাকা হলেও এর বাজার দাঁড়ায় প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা।
গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে গড়ে ১০টি নিয়ে একটি খামার দিলেও ১৮০,০০০ খামারে গড়ে ২ জন করে প্রায় ৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতো। ২০২১ সালে এসে অনুমান করা যাচ্ছে, গরুর মাংসের বাজারটা কতো বড় হয়েছে। কোরবানি ঈদের সময় বাংলাদেশে সারা বৎসরের অর্ধেক পশু জবেহ করা হয়। মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায় বছরে প্রায় ৪৫ লাখ গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত হয়। তাহলে বাৎসরিক গরু জবেহের সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ ধরে নেওয়া যায়। গরু প্রতি চামড়ার মূল্য ১১০০ টাকা ধরলেও গরুর চামড়ার বাজার প্রায় ১০০০ কোটি টাকা।
এছাড়াও হাড়, লেজের চুল, খুর, গোবর এসবের বাজার মূল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। এতোক্ষণ আমরা বুঝতে পারলাম গরুর প্রত্যক্ষ অর্থনীতির সম্ভাব্য আকার প্রায় সোয়া লাখ কোটি টাকা এবং গরুর খামারেই নতুন ৫০০,০০০ কর্মসংস্থান সম্ভব। গরু কেন্দ্রিক শিল্পখাত যেমন মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, দুধ সংগ্রহ ও পাস্তুরিত কারখানা, মিষ্টির দোকান, ট্যানারি, জুতা কারখানা, চামড়াজাত হস্তশিল্প, চামড়া রপ্তানিকারক, এলিম্যাল ফিড, ভ্যাকসিন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের অর্থনৈতিক মূল্য দাঁড়াবে আরও প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। কসাই, ইজারাদার, ফড়িয়া, পশু ডাক্তার, পরিবহন, প্যাকাজিং, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি সহায়ক সেবার অর্থনৈতিক মূল্য কম করে হলেও দাঁড়াবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। মোট কথা গরু অর্থনীতির সম্ভাব্য আকার প্রায় ১৫০ লাখ কোটি টাকা।

ধান উৎপাদনে আমরা স্বনির্ভর হয়েছি, মাছ উৎপাদনে আমরা বিশ্বে এখন চতুর্থ। এবার গরু নিয়ে কাজে লেগে যেতে হবে। আমাদের নিজস্ব বিশাল চাহিদা রয়েছে, অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে, কর্মক্ষম শ্রমশক্তি রয়েছে, অভাব শুধু সহায়ক মনোভাবের। নীতিনির্ধারক, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান আর কৃষিভিত্তিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলো এ খাতে একটু মনোযোগী হলে কেবল পুষ্টির চাহিদা নয় বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব গরু অর্থনীতির মাধ্যমে। এবছর দেশী গরুর যে চাহিদা ও যোগানের সংযোগ ঘটেছে, এটাকে একপ্রকার নিরব বিপ্লব বলা যায়। তবে সঠিক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে খামারীদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে হবে। যে উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, সেটা অঙ্কুরে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। ন্যায্য দামের নিশ্চয়তা নিশ্চিত হলে গরু অর্থনীতি নিজ থেকেই মহীরুহে পরিণত হবে।

এসব তো গেলো গরু অর্থনীতি, এবার আসেন কোরবানির পশু কিনছেন। কিন্তু ভুল তো হতেই পারে কোরবানির প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে নিতে। পশু কাটার কাঠ, গরুর খাদ্যদ্রব্য, হোগলা, কিংবা পশু জবাই করতে দরকার ছুরি, চাকু। অথবা আপনার কিংবা আপনাদের সন্তানেরা পশুকে সাজানোর জন্যে বিভিন্ন সাজ চেয়ে বসতে পারে। তাছাড়া আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি দিচ্ছেন, এ পশুটিকে তো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সাজানো তো প্রয়োজন। পশুর হাটগুলোতে গরুকে মেকাপ কারানো জন্য রয়েছে নানা ব্যবস্থা। পশুর মালা, দড়ি, লাঠি, খাবার ইত্যাদির জন্য প্রতিটি পশুর হাটের সঙ্গে জমজমাট বাজারও বসেছে। দোকানের পাশাপাশি অনেকে আবার ফেরি করে বেড়াচ্ছেন। নগরীরতে দোকান আছে যেখানে টাকার বিনিময়ে গরু-ছাগলের মেকআপ দেওয়া হচ্ছে। অনেক সৌখিন ক্রেতা আবার গরু কেনার পর থেকে সেখান থেকেই গরু সাজিয়ে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন দেখা গেছে, গরুর গায়ে বিদেশি দামি সেন্ট স্প্রে করে একটা ফুর ফুরে আবহ তৈরি করা হচ্ছে। গরুর শিং ও লেজ সাজানো হচ্ছে বিভিন্ন রঙয়ে। গরুর সারা শরীরে রঙবেরঙয়ের মালা আর শিংয়ে পড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বাহারি রঙের খেলনা। এদিকে গরু কিনে গন্তব্যে নিয়ে যেতে আপনার বা আপনাদের ১টি বা ২টি লাঠি প্রয়োজন হতে পারে। কেননা আপনার বা আপনাদের গরুটি পাগলা টাইপের হলে একে সামাল দিতে লাঠি একান্ত প্রয়োজন। এ লাঠি প্রতিপ্রিছ ১৫ থেকে ২০ টাকা। তবে একসঙ্গে ৫ পিস নিলে ১০ টাকা কমে পাবেন। হোগলা প্রতিপিস (ছোট সাইজ) ১৪০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১৬০ টাকা, (বড় সাইজ) ১৮০ টাকা। গরুটিকে নিতে বা বাড়িতে গরুটিকে বাঁধতে রশি প্রয়োজন। রাজধানীর প্রতিটি হাটে নানা রঙের রশি পাবেন। প্রতি ৫ হাতে রশি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। ১০ হাতের রশি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাবেন। গরুর মুখ বাঁধতে যে রশি প্রয়োজন তাকে মুখা রশি বলে। এ রশি প্রতিপিস ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। আর মসলার কথা নাই বললাম।

এসবই মাইক্রো অর্থনীতির ধারণা। এইটাকে যদি ম্যাক্রো অর্থনীতিতে চিন্তা করেন, সারা দেশের সকল বাজার এর ইজারা মূল্য যোগ করেন এর সাথে, সিজনাল ব্যবসায়ী, হাসিলকারক আর প্রিয় খামারী ভাইদের আয়। এ এক বিশাল অর্থনীতি, এ শুধু সাতদিনের ব্যবসা নয়। এর ব্যাকোয়ার্ড লিংকেজ কতো বড়, ফরোয়ার্ড লিংকেজে শুধু গরু কেন্দ্রিক অর্থনীতি কতো বিশাল। ঠিকভাবে পরিকল্পনা করে কাজে লাগাতে পারলে ছাগল, ভেড়া, উট কিংবা দুম্বা মিলিয়ে আমি আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে পাচ্ছি। লেখক : পিএইচডি গবেষক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত