প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিধিনিষেধ অম্যান্য করায় ১৪দিনে গ্রেপ্তার নয় হাজার, জরিমানা সোয়া ২ কোটি টাকা

সুজন কৈরী: [২] করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের ১৪দিনে অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়ায় ৯ হাজার ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ৮টি বিভাগের ৫১টি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিএমপি অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

[৩] এই ১৪ দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ডিএমপি ২ হাজার ৯৯৯ জনকে জরিমানা করেছে ৩৯ লাখ ১২ হাজার ৩৩০ টাকা। এছাড়া ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ ৮ হাজার ১৩৯ গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করেছে ১ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭৫ টাকা।

[৪] মোবাইল কোর্ট ও ট্রাফিক বিভাগ মিলিয়ে মোট জরিমানা করা হয়েছে ২ কোটি ২২ লাখ ৫২ হাজার ১০৫ টাকা।

[৫] ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যারা যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাইরে বের হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে।

[৬] ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, বিধিনিষেধ অমান্য করায় প্রথম দিন গ্রেপ্তার হয় ৫৫০ জন। মোবাইল কোর্টে জরিমানা করা হয় ২১২ জনকে। এ সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৯২ হাজার ৫০৭ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশ ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা করে। দ্বিতীয় দিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে ২০৮ জনকে। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশ ২১৯টি গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এসব মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা। ডিএমপির অর্ডিন্যান্সে ৩২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ট্রাফিক পুলিশের ৮টি বিভাগে ৬৮ গাড়ি চালককে জরিমানা করা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০০ টাকা।

[৭] তৃতীয় দিন সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী ৭৬১টি গাড়িকে জরিমানা করা হয়েছে ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৫০ টাকা। গ্রেপ্তার করা হয় ৬২১ জনকে। মোবাইল কোর্টে ৩৪৬ জনকে ১ লাখ ৬ হাজার ৪৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। চতুর্থ দিন ডিএমপি গ্রেপ্তার করে ৬১৮ জনকে। মোবাইল কোর্টে ১৬১ জনকে ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ ৪৯৬টি গাড়ি ও চালককে ১২ লাখ ৮১ হাজার টাকা জরিমানা করে।

[৮] পঞ্চম দিন গ্রেপ্তার করা হয় ৫০৯ জনকে। মোবাইল কোর্টে ২৮৭ জনকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রাফিক বিভাগ ৫২৬টি গাড়ি ও চালককে ১২ লাখ ২৩ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করে। ষষ্ঠ দিন গ্রেপ্তার করা হয় ৪৬৭ জনকে। মোবাইল কোর্টে ৩০৫ জনকে ২২ লাখ ৭ হাজার ৪৮০ টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রাফিক বিভাগ ১ হাজার ৮৭টি গাড়ি ও চালককে ২৫ লাখ ২৯ হাজার ২৫ টাকা জরিমানা করে।

[৯] সপ্তম দিন গ্রেপ্তার করে ১ হাজার ১০২ জনকে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২৪৫ জনকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রাফিক বিভাগ ৮০৪ টি গাড়িকে ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করে। অষ্টম দিনে গ্রেপ্তার করা হয় ১ হাজার ৭৭ জনকে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩১৮ জনকে ১৬ লাখ ৭৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রাফিক বিভাগ ৯৩৭ টি গাড়ি ও চালককে ২১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করে। নবম দিন গ্রেপ্তার করা ৫৮৫ জনকে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১২৯ জনকে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রাফিক বিভাগ ৪১৪টি গাড়ি ও চালককে ৮ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করে।

[১০] দশম দিন গ্রেপ্তার করা হয় ৭৯১ জনকে। মোবাইল কোর্টে ২১২ জনকে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ৩৬১টি গাড়িকে ৯ লাখ ৪ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করেছে।

[১১] ১১ তম দিনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৭০৮জনকে। মোবাইল কোর্টে ১৮৪ জনকে ৫ লাখ ৩৮হাজার ৬৮০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ২৪৪টি গাড়িকে ৫ লাখ ৫২ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করেছে। ১২ তম দিনে ৬৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোবাইল কোর্টে ১৬৮ জনকে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ ৭২৭ গাড়ির বিরুদ্ধে মামলায় জরিমানা করেছে ১৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

[১২] ১৩ তম দিনে ৫৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। মোবাইল কোর্টে ১১৯ জনকে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক বিভাগ ৬৯৬ টি গাড়িকে ১৪ লাখ ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

[১৩] আর শেষ দিন বুধবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৬২ জনকে। মোবাইল কোর্টে ১০৫ জনকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ৭৪৪ টি গাড়িকে ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০টাকা জরিমানা করেছে।

 

সর্বাধিক পঠিত