শিরোনাম
◈ একটি গবেষণা রকেট যেভাবে পারমাণবিক যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলেছিল প্রায় ◈ এক হালি ডিমের দামেও মিলছে না একটি লেবু ◈ দুর্বল উলভসকে হারা‌তে পার‌লো না আর্সেনাল ◈ ইমরান খা‌নের অসুস্থতা নিয়ে পাকিস্তান সরকারকে তোপ সৌরভ গাঙ্গু‌লির, উদ্বেগে আজহারও ◈ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কতটা মোকাবেলা করতে পারবে বিএনপি সরকার? ◈ ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় বাংলাদেশ, ৭০ দেশের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণ ◈ যে কারণে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে হোটেলের বাসন মাজতে হলো হ‌কি খেলোয়াড়দের ◈ আজ বাংলামোটরে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি ◈ রমজানে মেট্রোরেল চলবে নতুন সময়সূচিতে, ট্রেনে ইফতার করা নিয়ে যা বললো কর্তৃপক্ষ ◈ শেখ বশিরউদ্দীনকে বিমানের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিলো সরকার

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২১, ০৪:০০ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০২১, ০৪:১১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সিংগাইরে মোবাইল কোর্টে লাঠিপেটা ও পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারের ঘটনার তদন্তে কর্মকর্তা নিয়োগ

সিরাজুল ইসলাম: [২] মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও লাঠিপেটার ঘটনায় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের পর এবার ঘটনাটি তদন্তে কর্মকর্তা নিয়োগ করেছেন জেলা প্রশাসন। জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ।

[৩] ঘটনাটি নিয়ে আমাদের সময়.কমসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হলে লাঠিপেটাকারী ওই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ও লাঠিপেটার নির্দেশদাতা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও রুনা লায়লার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় সর্বমহলে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।

[৪] এদিকে, বিষয়টি নিয়ে গত ১১ জুলাই জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জেলা শাখার পক্ষ থেকে প্রেস নোটের মাধ্যমে ইউএনও’র পক্ষ নিয়ে সংবাদের প্রতিবাদ জানানো হয়। পরে ওইদিন বিকেলেই ঘটনা তদন্তে উপসচিব পদমর্যাদার তদন্তকর্মকর্তা নিয়োগ দেন জেলা প্রশাসন। তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে।

[৫] এদিকে , ইউএনও’র পক্ষে প্রেসনোট দেয়া সংগঠনটির অন্যতম সদস্যকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। অভিজ্ঞদের মতে সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে ঘটনাটির বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত।এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার (১২ জুলাই) চিঠি হাতে পেয়েছি।

[৬] যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত কাজ শুরু করব। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জেলা শাখার একজন দায়িত্বশীল সদস্য হয়ে আপনি কতটুকু নিরপেক্ষতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ডিসি স্যারকে জিজ্ঞেস করুন।

[৭] এদিকে ঘটনার পর থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লাকে চলমান লকডাউনে কোনো অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। উপজেলা প্রশাসন অফিস সুত্রে জানা গেছে, তার মেয়ে অসুস্থ থাকায় ৩ দিনের ছুটিতে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন।

[৮] প্রসঙ্গত, লকডাউনের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার জায়গীর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী তপন দাস দোকান খোলা রাখায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন মোবাইল কোর্ট। সেখানে ইউএনও রুনা লায়লাকে আপা সম্বোধন করায় ওই ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেন এক পুলিশ সদস্য। পুলিশের দাবি ইউএনও’র নির্দেশেই তাকে লাঠিপেটা করা হয়েছে। তবে ইউএনও রুনা লায়লা লাঠিপেটার ঘটনা বরাবরই গণমাধ্যমের কাছে অস্বীকার করে আসছেন। সম্পাদনা: অনন্যা আফরিন, জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়