প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৭৬ মামলা ও অর্থদণ্ড

রাজু চৌধুরী : [২] সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রোববার (১১ জুলাই) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের পনেরজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।

[৩] এ সময় বিধিনিষেধ মেনে না চলায় বিভিন্ন দোকান , রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে ৭৬ মামলায় মোট ৩০,৬০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ কে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।

[৪] অভিযানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী ডবলমুরিং এলাকায় ০৮ টা মামলায় মোট ৬০০০/- টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী , তিনি ০৮ টি মামলায় ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন ।

[৫] অন্যদিকে পতেঙ্গা, বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত , এ সময় তিনি ০৪ টি মামলায় ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুল আলম , এ সময় ০৮ টি মামলায় ৪৩০০টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

[৬] এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, তিনি ১ টি মামলায় মোট ২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাজিব হোসেন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৮ টি মামলায় ২৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। কোতোয়ালী ও সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৫ টি মামলায় ২১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন পাহাড়তললী ও আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৫ টি মামলায় ১৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৪ টি মামলায় ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা শারমিন, তিনি ০৬ টি মামলায় ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৭] পাশাপাশি হালিশহর ও মুরাদপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস, তিনি ০১ টি মামলা দায়ের করে ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত, এ সময় তিনি ০৬ টি মামলায় ৩৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। অন্যদিকে পাহাড়তলী ও আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ০৩ টি মামলায় মোট ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ।

[৮] কোতোয়ালী ও সদরঘাট এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, তিনি ০৪ টি মামলায় ২৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

[৯] করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

সর্বাধিক পঠিত