প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইউরো ফাইনাল: পেনাল্টি শ্যুট আউটে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ৫৩ বছর পর ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি

আখিরুজ্জামান সোহান: উৎসবমুখর ওয়েম্বলি হঠাৎ নিস্তব্ধ, শিরোপার অনেকটা কাছে গিয়েও শিরোপার স্বাদ নেওয়া হল না ইংলিশদের। দীর্ঘ দিনের কষ্ট ঘোচানো গেল না ইউরো ২০২০ চ্যাম্পিয়নশিপে। টাই ব্রেকারে ৩-২ গোলে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন ইতালি।

১৯৬৮ সালে সর্বশেষ ইউরো জিতেছিল ইতালি। এরপর ২০০০ এবং ২০১২ সালেও ইউরোর ফাইনাল খেলেছিল আজ্জুরিরা। কিন্তু ফিরতে হয়েছিল খালি হাতে। এবার আর খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না কিয়েল্লিনিদের। টাইব্রেকারে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে ৫৩ বছর পর ইউরোর ট্রফিটা রোমে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আজ্জুরিরা।

ইউরোর শ্রেষ্ঠত্ব কাদের, সেটা নির্ধারণে এবার টাইব্রেকার নামক লটারিতেই গড়ালো মেগা ফাইনাল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয়। কেউ জিতলো না, কেউ হারলোও না।

শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারণে টাই ব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। আর তাতেই ৩-২ গোলে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নে নিজেদের নাম লিখে ইতিহাস গড়ল ইতালি।

ইংল্যান্ডের হাতে ট্রফি দেখতে শুরুতেই ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে হাজার হাজার দর্শক ঢুকতে চেষ্টা করে। সে এক তাণ্ডব লাগার মতো অবস্থা। ওদিকে ২ মিনিটের মধ্যে লুক শর গোল যেন তাদের স্টেডিয়ামে ঢোকার ইচ্ছা আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। ওই এক গোলের পর ইংল্যান্ড যে ট্রফি ঘরে ফেরানোর স্বপ্ন দেখছিল তাতে বাধ সাধে ইতালি।

মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়ে ইংল্যান্ডকে তটস্থ করে রাখে আজ্জুরিরা। দ্বিতীয়ার্ধে তারা আরও মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত পায় সমতা ফেরানো গোলের দেখা। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তাতেও ম্যাচের ফয়সালা হয়নি। টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ওয়েম্বলির সব হৈ-হুল্লোড় থামিয়ে দিলো ইতালি। টানা ৩৪ ম্যাচ থাকলো অপরাজিত।

 

পেনাল্টি ওভার ভিউ:

ইংল্যান্ড: সাকাকে রুখে দেন দোনারুম্মা।

ইতালি (০): পিকফোর্ড দুর্দান্ত সেভ করেন ডানপাশে ঝাঁপিয়ে।

ইংল্যান্ড (০): সানচোকে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন দোনারুম্মা।

ইতালি (১): বের্নার্ডেশচি মাঝামাঝি শটে জালে বল পাঠান।

ইংল্যান্ড (০): র‌্যাশফোর্ড বাঁ দিকের পোস্টে আঘাত করলেন।

ইতালি (১): বোনুচ্চি গোল করে ইতালির আশা জাগিয়ে রাখলেন।

ইংল্যান্ড (১): ম্যাগুইরেও সফল হলেন।

ইতালি (০): বেলোত্তিকে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান পিকফোর্ড।

ইংল্যান্ড (১): হ্যারি কেইন ডান পায়ের শটে বাঁ দিক দিয়ে জাল কাঁপান।

ইতালি (১): বেরার্দি বাঁ পায়ের বাঁ দিকের শটে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন।

 

সর্বাধিক পঠিত