শিরোনাম

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২১, ০৩:০০ দুপুর
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২১, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সুন্দরবন রেঞ্জে যাত্রীবাহী ট্রলারসহ ৯জন আটক

ফরিদ আহমেদ: [২] পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের চাঁদনীমুখা সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদী থেকে যাত্রীবাহী ট্রলারসহ ৯জনকে আটক করেছেন বনবিভাগ। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এমএ হাসানের নেতৃত্বে সদস্যরা, নদীর বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আনমানিক ২০০ কেজি, ও যাত্রীবাহী ট্রলারসহ চালক একজন ও ৮ জেলেকে আটক করে বলে জানান বনবিভাগ।

[৩] আটককৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা গ্রামের ছাকাত শেখের ছেলে শাহ আলম এবং একই এলাকার রূপচাঁদ গাজীর ছেলে আজহারুল গাজী, আজিজ খা’র ছেলে ছামাদ খা, রফিকুল গাজীর ছেলে তরিকুল, সামছুর শেখের ছেলে নুরে আলম, মোকাম শেখের ছেলে রবিউল, হযরত শেখের ছেলে হেলাল শেখ, মান্দার শেখের ছেলে হযরত শেখ ও ট্রলার চালক জব্বার গাজীর ছেলে শহিদুল গাজী।

[৪] সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এমএ হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে অঞ্চলে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় জেলেদের আটক করা হয়। এসময় জেলেদের ৫০হাজার টাকা মূল্যের ২শ কেজি মাছ জব্দ করা হয়। তাছাড়া যাত্রীবাহী ট্রলারও চালকসহ আটককৃত ৯জনের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

[৫] ট্রলার চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি প্রতিদিন গাবুরা চাঁদনীমুখা ঘাট হতে যাত্রী নিয়ে নীলডুমুর ঘাটে আসি। যাত্রী নিয়ে আসার পথে ৯নং সোরা এলাকা থেকে আমার ট্রলার আটক করে। আমি (শহিদুল ইসলাম) এতো করে বললাম আমার ট্রলার যাত্রীবাহী। এরা সবাই যাত্রী। তারপরও আমাকেসহ আমার ট্রলার বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট অফিসে নিয়ে আসে। আমার বোটে থাকা যাত্রীদের সাথে আমাকেও কোর্টে চালান দিয়েছে।

[৬] তবে আটককৃত হেলাল শেখ বলেন, আমরা বৃহস্পতিবার রাতে সুন্দরবনের কুনচি খাল থেকে এ মাছ আহরণ করেছিলাম। শুক্রবার ভোর রাতে বাড়িতে এসে শহিদুলের ট্রলার ভাড়া করে মাছ নিয়ে নীলডুমুর ঘাটে যাওয়ার পথে ৯নং সোরা এলাকার খোলপেটুয়া নদী থেকে ফরেস্ট অফিসাররা আমাদের আটক করে।

[৭] এদিকে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহিনে সুন্দরবন হতে কর্তন নিষিদ্ধ গরাণ কাঠ কেটে পাচার করার সময় জব্দ করেছেন, কৈখালী বনস্টেশন অফিসের সদস্যরা। শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে সদস্যরা সুন্দরবনের চকবার খাল এলাকা হতে নৌকা ভর্তি চোরাই কাঠ উদ্ধার করে। এ সময় বনবিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে কাঠ পাচারকারীরা সুন্দরবনে পালিয়ে যায়।

[৮] সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এমএ হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কাঠ পাচারের খবর গোপনে জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে ২টি নৌকাসহ ২শতাধিক মণ গরান কাঠ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় বন আইনে মামলা হয়েছে।

  • সর্বশেষ